Translate

Wednesday, January 27, 2021

How to reduce gastric pain right away

How to reduce gastric pain right away

How to reduce gastric pain right away
Symbolic image
Sometimes belching, sometimes sore throat and sometimes stomach ache. All these are signs of gastric problems. If it is winter, this problem will get worse. Some people suffer from gastric problems all year round. There is no cure even after taking a handful of medicines. On the contrary, thousands of diseases and sufferings are taking up residence in your body without your knowledge. So put the medicine away, say bye bye to the gastric problem. Here's how to get rid of clutter you don't need.

1. We all love to eat bananas. However, gastric problems are not an option. Bananas are rich in potassium, which is a natural antacid. It acts as a preventative against acid reflux. Every morning I wake up and eat a banana on an empty stomach. You will benefit in a few days. However, 1-2 bananas are fine. Nothing should be eaten too much.

2. There is nothing new to say about basil leaves. Basil leaves help in the production of mucus-like substances in the stomach. You get up in the morning and have tea! Put some basil leaves in that tea. Let it boil with tea, eat that tea on an empty stomach, it will taste great. And you will also get relief from gastric pain. If one is not in the habit of drinking tea in the morning, he can eat it with basil leaves in lukewarm water.

3. Anise can reduce your gastric pain instantly. Chewing fennel after eating is not likely to cause acid. Soak fennel in water before going to bed at night. Eat on an empty stomach the next morning. Or you can boil it with fennel in hot water with a few mint leaves. This will also get relief from gastric problems.

4. Ginger-garlic helps to get rid of gas-heartburn. Ginger digests food very quickly. So grind ginger half to one hour before eating and eat it with bitunun. It will not have the problem of heartburn after eating. Garlic does not only enhance the taste in cooking. It contains a lot of fiber which is easily digested.

5. Tokadai, which has no alternative. Tocai contains calcium, which prevents gas from forming in the stomach. You can mix bit salt with it. It will get better results. The lactic acid in tocai strengthens the digestive process.

ঝেড়ে ফেলুন নেতিবাচক মনোভাব

ঝেড়ে ফেলুন নেতিবাচক মনোভাব

ঝেড়ে ফেলুন নেতিবাচক মনোভাব
আমাদের চারপাশে প্রায়ই বিভিন্ন অত্যাচার, নিপীড়ন, দুর্নীতি এবং সহিংস কর্মকান্ডের খবর পাই। দৈনন্দিন জীবনে এই সহিংস ঘটনাগুলো আমাদের মস্তিষ্কে কতটা প্রভাব ফেলছে অথবা কতটা নেতিবাচক মানসিকতা তৈরি হওয়ার কারণে দিনের পর দিন এমন নৃশংস কর্মকান্ড বেড়ে চলছে, তা কি আমাদের উদ্বেগের বিষয় নয়?

২০১৮-১৯ এর মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ১৭ শতাংশ বা দুই কোটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ নানাভাবে মানসিক রোগে আক্রান্ত। এছাড়া ১৩.৬ শতাংশ শিশু রয়েছে যারা যে কোনো অনাকাক্সিক্ষত, অপ্রত্যাশিত ঘটনার প্রভাবে নানাভাবে মানসিক সমস্যায় ভোগে এবং বিপর্যস্ত থাকে। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর বা পারিপার্শ্বিক নানা পরিবর্তন আসার পরেও তারা সেই ট্রমা থেকে বের হয়ে আসতে পারে না। এবার আসি মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সামাজিক ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।  জীবনে সফলতা যেহেতু ব্যর্থতার চেয়ে অনেক বেশি দৃশ্যমান তাই সফলতার সুযোগকেই মানুষ অতি মূল্যায়ন করে। বেঁচে থাকার চেয়ে এখন টিকে থাকার দৌড়েই মানুষ ব্যস্ত। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে কে কার চেয়ে বেশি এগিয়ে গেল, কার কত বেশি অর্জন-এই প্রতিযোগিতা মানুষকে অনেকটাই হতাশার দিকে ঠেলে দেয়। কারণ জয়ের কদরের চেয়ে পরাজয়ের ক্ষতিকে আমরা বেশি ভয় পাই। তার মানে এই না আমরা সফলতার উদযাপন করব না। অবশ্যই করব, কিন্তু অন্যকে অবমূল্যায়ন করে নয়।

অন্যদিকে, টিকে থাকার দৌড়ে সাময়িকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোর মাঝে চলে আসে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ভীতি। ব্যর্থতা তাদের যতটা না গ্রাস করে, তার চেয়ে বেশি সেই প্রতিযোগী মনোভাব তাদের দুর্বল করে তোলে এবং মানসিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে। তাই ঝেড়ে ফেলুন নেতিবাচক মনোভাব। দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টান, হয়ে উঠুন ইতিবাচক।

কোভিডের পর পড়ছে চুল, যা করবেন

 কোভিডের পর পড়ছে চুল, যা করবেন

কোভিডের পর পড়ছে চুল, যা করবেন
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) থেকে সুস্থ হওয়ার পর অনেকেরই অতিরিক্ত চুল পড়ছে। দেখা দিচ্ছে ব্রণের সমস্যা। এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণের  উপায় নিয়ে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সেই আলোকে নিচে বর্ণনা করা হলো।

ব্রণ

করোনার চিকিৎসায় ‘স্টেরোয়েডস’ ব্যবহার করা হলে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্রণের সমস্যা দেখা দেয়। বুক, পিঠ, কাঁধ, থুতনির নিচের অংশ ও গলায় ব্রণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত ব্রণ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো অতিরিক্ত ঘাম। এ ছাড়া স্টেরোয়েডস’য়ের কারণে দেহের তাপমাত্রার ওঠা-নামা ব্রণের সৃষ্টি করে। হাসপাতালে ভর্তি থাকার কারণে চুলে শ্যাম্পু করা হয় না। ফলে মাথায় দেখা দেয় খুশকির সমস্যা। সেখান থেকেও কপাল, পিঠ, গলা, কাঁধ ও বাহুতে ব্রণ দেখা দেয়। 

যা করবেন 

ব্রণ হলে এর সঠিক কারণ খুঁজে বের করা প্রয়োজন। ব্রণে কোনোভাবেই আঘাত করা ঠিক নয়। এতে দাগ বসে যেতে পারে। শরীর আর্দ্র রাখতে গোসলের পরে নন-কমেডোজেনিক ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। ব্রণের চিকিৎসায় ত্বকে কখনও শক্ত স্ক্রাব ব্যবহার করা যাবে না। ময়েশ্চারাইজার সক্রিয়ভাবে ব্রণের কোনো উপকার না করলেও তা দাগের জটিলতা কমাতে সহায়তা করে। তবে ‘স্টেরয়েডস’ বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি ব্রণের চিকিৎসা শুরু করলে এই সমস্যা আর ফিরে আসবে না।

চুল পড়া

করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পর অনেক রোগীর অস্থায়ীভাবে চুল পড়ছে। এই সময়ে চুলের বৃদ্ধি সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়, যাকে বলে অতিরিক্ত ‘টেলোজেন এফ্লুভিয়াম’য়ের প্রভাব। এটা হওয়ার কারণ এই সময়ে মানসিক চাপ। এ সমস্যা সাধারণত আক্রান্ত হওয়ার তিন মাস পর থেকে শুরু হয়।

‘ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিন’য়ের করা এক সমীক্ষা থেকে জানা যায়, এ সংক্রমণের ২৫টি লক্ষণের মধ্যে অতিরিক্ত চুল পড়া অন্যতম।

যা করবেন 

চুল পড়া সমস্যায় আতঙ্কিত হয়ে শুরুতেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন না হলেও হবে। পর্যাপ্ত পুষ্টি চাহিদা বিশেষ করে ভিটামিন, খনিজ, লৌহ, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ইত্যাদি খাবার গ্রহণ করতে হবে। সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে না চললে চুল পড়ার সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, এক্ষেত্রে খাবার তালিকায় রঙিন খাবার যোগ করতে হবে। প্রতিদিন দু-তিনটি ফল, সবজি, ভুট্টা, শস্য, মটর ও স্বাস্থ্যকর চর্বি খাদ্যতালিকায় যোগ করা প্রয়োজন। তবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ না করাই ভালো।

রক্তচাপ কমাতে মেনে চলুন ১১ উপায়

রক্তচাপ কমাতে মেনে চলুন ১১ উপায়

রক্তচাপ কমাতে মেনে চলুন ১১ উপায়
উচ্চ রক্তচাপ বড় বিপদের কারণ হতে পারে। এমনকি জীবনহানীও হতে পারে। সেক্ষেত্রে এটা একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা করানো উচিত। তবে রক্তচাপ কমাতে আপনি নিচের কয়েকটি নির্দেশ মেনে চলতে পারেন-

১। ওজন কমানো।

২। লবণ কম খাবেন।

৩। মদ্যপান বা নেশাদ্রব্য গ্রহণ করবেন না।

৪। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট জোরে জোরে হাঁটবেন।

৫। চর্বিজাতীয় খাবার কম খাবেন।

৬। প্রচুর ফল ও শাকসবজি খাওয়া উচিত।

৭। ধূমপান পরিত্যাগ করা উচিত।

৮। ডায়াবেটিস, হাইপারলিপিডেমিয়া (রক্তে অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়া) নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

৯। ঘন ঘন রক্তচাপ মেপে নজর রাখবেন।

১০। হাসিখুশি থাকুন ও মানসিক অবসাদগ্রস্ততা দূর করা।

১১। প্রয়োজন মতো বিশ্রাম নেওয়া উচিত।

পাল্টে ফেলুন খালি পেটে চা খাওয়ার অভ্যাস

পাল্টে ফেলুন খালি পেটে চা খাওয়ার অভ্যাস

পাল্টে ফেলুন খালি পেটে চা খাওয়ার অভ্যাস
ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে চা পান করাকে অনেকেই আধুনিকতার অনুষঙ্গ মনে করেন। তাছাড়া শরীরকে চাঙ্গা করে তুলতে চায়ের তুলনা হয় না।

তাই সকালে আপনি স্বচ্ছন্দেই চা খেতে পারেন। কিন্তু ঘুম থেকে উঠেই চা খাওয়ার অভ্যাসটা একদমই স্বাস্থ্যকর নয়। এতে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। 

আগে হালকা নাস্তা করে নিন। এর পর চা পান করুন। খালি পেটে চা খেলে বমি হতে পারে কারণ এতে ট্যানিন থাকে। তবে সবার ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য নয়। তবে খালি পেটে চা পান করার পরও বমি না হওয়া কিংবা খারাপ বোধ না হওয়ার মানে এই নয় যে আপনি বেঁচে গেছেন। খালি পেটে চা পানের অভ্যাস থেকে আলসারের সমস্যা দেখা দেবে।

খালি পেটে চা খেলে জিভের স্বাদ পাল্টে যায়। খিদে চলে যায়। ফলে অনেকক্ষণ পেট খালি থাকে। খালি পেটে চা পড়লে অন্য খাদ্যেও কাজ করে না। ফলে শরীরের প্রোটিন কমে যায়। খালি পেটে দুধ বা লিকার চা এমদমই এড়িয়ে চলুন। আর কাজের ফাঁকে বার বার চা খাবেন না। এতে পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রস্টেট ক্যান্সারের সমস্যা দেখা দেয়। নারীদের জন্যও এটা ক্ষতিকর।

স্যানিটাইজারের কারণে শিশুদের চোখ ও ত্বকের সমস্যা বাড়ছে

 স্যানিটাইজারের কারণে শিশুদের চোখ ও ত্বকের সমস্যা বাড়ছে

স্যানিটাইজারের কারণে শিশুদের চোখ ও ত্বকের সমস্যা বাড়ছে
কোভিড-১৯ এর কারণে বেড়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার। এক দিকে জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করতে এই স্যানিটাইজার অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে, এর কারণেই বাড়ছে শিশুদের নানা সমস্যা। সম্প্রতি ‘আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’-এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্র এই তথ্য উছে এসেছে। 

গবেষণায় বলা হয়েছে, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের কারণে শিশুদের চোখের ও ত্বকের সমস্যা মারাত্মক ভাবে বেড়ে যেতে পারে। এ ব্যাপারে শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অপূর্ব ঘোষ বলেন, ‘হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৭০ শতাংশ অ্যালকোহল রয়েছে। এই মাত্রা অত্যন্ত কড়া। কোভিডের কারণে সকলেই বাধ্য হচ্ছি স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে। কিন্তু এটা মোটেই খুব স্বাস্থ্যকর নয়। বিশেষ করে, শিশুদের চোখ আর ত্বকের জন্য।’

‘আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’-এর গবেষণা বলছে, তাদের সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০১৯ সালে যত জন শিশুকে চোখে বিষক্রিয়ার কারণে চিকিৎসা করানো হয়েছিল, তার মধ্যে মাত্র ১.৩ শতাংশের ক্ষেত্রেই বিষক্রিয়ার কারণ ছিল হ্যান্ড স্যানিটাইজার। কিন্তু ২০২০ সালে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ১০ শতাংশের কাছাকাছি। শুধু চোখের নয়, বাড়ছে ত্বকের সমস্যাও। 

ত্বক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পিয়ালি চট্টোপাধ্যায় বলছেন, ‘এখনও পরিসংখ্যানগত প্রমাণ কিছু নেই। কিন্তু ৭০ শতাংশ অ্যালকোহলের কারণে ত্বকের কিছু পরিবর্তন হবে, সেটা তো স্বাভাবিকই।’

এতদিন ধরে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতেই স্যানিটাইজারের ব্যবহার নিয়ে কোনও প্রশ্ন ওঠেনি। কিন্তু এর পর আস্তে আস্তে স্যানিটাইজারের ব্যবাহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে বলেও চিকিৎসকদের একাংশের মত। সূত্র: আনন্দবাজার।

Monday, January 11, 2021

মহামারীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় দারুচিনি!

 দারুচিনিকে এতদিন আমরা খাবারেই ব্যবহার করে এসেছি। গরম মশলার অপরিহার্য পদ এই দারুচিনি। খাবারের সুগন্ধ বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু এই দারুচিনিই যে আপনার শরীরের যাবতীয় ভাইরাস ধুয়ে মুছে সাফ করে দিতে পারে, তা কি জানতেন? গবেষণা ঠিক এই তথ্যই দিচ্ছে।

প্রাচীনকালে বহু ভাইরাস ধ্বংস করে দেওয়ার নজির দেখিয়েছে দারুচিনি। তাই সুগন্ধি এই পদকে শুধু খাবারে ব্যবহার করলেই চলবে না। গবেষকরা বলছেন, করোনারকালেও প্রতিষেধক হিসেবে কাজে আসতে পারে দারুচিনি। তবে খাবারের সঠিক পদ্ধতিটি জানতে হবে। কোন সময়ে, ঠিক কী ভাবে দারুচিনি খেলে তা শরীরের জন্য কাজে আসবে, জানতে হবে সে পদ্ধতিও। আবার বেশি পরিমাণে দারুচিনি খেয়ে ফেললেও হিতের বিপরীত হতে পারে। সেই দারুচিনি কীভাবে মানুষের শরীর ভালো করার কাজ করেছে? আর তা সঠিক ভাবে খাওয়ার পদ্ধতিটিই বা কী? চলুন জেনে নেই-

১৯১৮ সালে স্প্যানিশ ফ্লু ধ্বংস করতে কাজে এসেছিল দারুচিনি

১৯১৮ সালে স্প্যানিশ ফ্লু মহামারীর সময়ে যারা দারুচিনির কারখানায় কাজ করতেন, তাদের প্রায় কেউই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হননি। অর্থাৎ খাওয়া তো অবশ্যই, দারুচিনির সংস্পর্শে থাকাটাও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, সেই সময় স্প্যানিশ ফ্লু নির্মূল করার অন্যতম সেরা ওষুধ ছিল দারুচিনির গুঁড়া। কেউ কেউ আবার দুধে সামান্য পরিমাণ দারুচিনি তেল ব্যবহার করেই সুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে এইচআইভি, অ্যাডিনোভাইরাস ও হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাসের বিরুদ্ধেও দারুচিনি ব্যাপক ভাবে কার্যকারিতা দেখিয়েছে।

করোনায় যেভাবে উপকারী দারুচিনি

বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতেও বিশ্বের বেশ কিছু দেশে প্রতিষেধক হিসেবেও ব্যবহার করা হচ্ছে দারুচিনি। বিশেষ করে ডাক্তার থেকে শুরু করে গবেষকরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুচিনি খেতে বলছেন। তবে এখনও পর্যন্ত দারুচিনি করোনাভাইরাস ধ্বংস করতে পারে কি না, সেই বিষয়ে কোনও প্রমাণ না মিললেও ডাক্তাররা বলছেন সংক্রমণের তীব্রতা প্রতিরোধ করতে পারে দারুচিনি। তবে তা ঠিকঠাক পদ্ধতি মেনে খেতে হবে। আর কোন সময়ে খাওয়া হচ্ছে, এবং কতটা পরিমাণে দারুচিনি খাওয়া হচ্ছে তার উপরেও নির্ভর করছে এর গুণাগুণ।

​শরীর ভালো রাখতে কীভাবে সাহায্য করে দারুচিনি

দারুচিনি আসলে শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। আমাদের শারীরিক প্রতিরক্ষার জন্য প্রদাহ গুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রয়োজনাতিরিক্ত প্রদাহে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। আর সেটার পরিমাণই মূলত কমিয়ে দিতে পারে দারুচিনি। এই দারুচিনির মধ্যেই রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট পলিফেনল ও প্রোঅ্যান্থোসায়ানাইডিন, যা কোনও ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে। এছাড়াও দারুচিনি মেদ ঝরাতেও কাজে আসে। শ্বাসতন্ত্রের রোগ এবং হার্টের রোগ নির্মূল করতেও খুবই সহায়ক দারুচিনি। দারুচিনির অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল প্রপার্টি বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে।

দারুচিনি খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি

দারুচিনিকে পানিতে সিদ্ধ করে অথবা গরম পানিতে দারুচিনির গুঁড়া মিশিয়ে পান করলে এর সঠিক উপকারিতা পাওয়া যায়। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দারুচিনির তেল ব্যবহার করা উচিত নয়। সিনামন অয়েল এত বেশি শক্তিশালী যে এক বা দুই ফোঁটার বেশি খেলে শরীরের ভেতর পুড়ে যেতে পারে। কোনও খাবারে ঠিক কতটা পরিমাণ সিনামন অয়েল মিশিয়ে খেলে শরীরের কোনও ক্ষতি হবে না, তা জানতে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

দৈনিক ভিটামিন ‘সি’র চাহিদা মেটাবে দুটি আমলকি

 

আমলকি একটি পরিচিত ফল। এর রয়েছে অনেক ভেষজ গুণ। ফল ও পাতা দুটিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। আমলকিতে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকে।

পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে ৩ গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলার চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।

একজন বয়স্ক লোকের প্রতিদিন ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ দরকার। দিনে দুটো আমলকি খেলে এ পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া যায়। আমলকি খেলে মুখে রুচি বাড়ে।

এছাড়াও এর রয়েছে আরও অনেক ঔষধি গুণ-

আমলকি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের উপর কাজ করে।

দীর্ঘমেয়াদি কাশি সর্দি হতে উপকার পাওয়ার জন্য আমলকির নির্যাস উপকারী।

হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধক।

দাঁত, চুল ও ত্বক ভালো রাখে আমলকি।

খাওয়ার রুচি বাড়ায়।

কোষ্ঠকাঠিন্য, মাথাব্যথা, অম্ল, রক্তাল্পতা, বমিভাব দূর করতে সাহায্য করে।

বহুমূত্র রোগে এটি উপকারী।

চুল ওঠা দূর করতে আমলকি বেশ উপকারী। চুলের খুশকির সমস্যা দূর করে।

আমলকির মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ক্যানসার প্রতিরোধী গুণ। গবেষণায় বলা হয়, আমলকি ক্যানসারের কোষ বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।

প্রতিদিন সকালে আমলকির জুস খাওয়া পেপটিক আলসার প্রতিরোধে কাজ করে।

আমলকি শরীরের বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সাহায্য করে এবং ওজন কমায়।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আমলকি খুব দ্রুত কাজ করে। আমলকির গুঁড়ো মধু দিয়ে প্রতিদিন খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।


রক্ত দেওয়ার আগে মাথায় রাখুন ৫ বিষয়

 রক্তের অভাবের কারণে প্রতিবছর বহু রোগীর প্রাণ সংকটের মুখে পড়ে। এক ব্যাগ রক্ত দিতে সময় লাগে মাত্র ১০ থেকে ১২ মিনিট। এই অল্প সময়ে চাইলেই একজনের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। কিন্তু রক্ত দেওয়ার আগে বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখা উচিত।

রক্ত দেওয়ার আগে নিয়মকানুন পড়ে নিন। জেনে নিন আপনি রক্ত দেওয়ার জন্য আদৌ উপযুক্ত কি না। কী কী ধরনের রোগব্যাধী শরীরে থাকলে একজন রক্তদান করতে পারেন না, তা ডোনারের নিজের উদ্যোগেই জেনে নেওয়া উচিত।  

সাধারণত সরকারি ব্লাড ব্যাংক থেকেই রক্ত নিতে আসেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মীরা। কিন্তু তা সত্ত্বেও রক্ত দেওয়ার আগে জেনে নেওয়াই ভালো। কোনো ভুঁইফোড় প্রাইভেট ব্লাড ব্যাংক থেকে লোকজন আসছে শুনলে এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।  

খুব বিশ্বস্ত এবং চেনাপরিচিত জায়গায় রক্তদান করলেও সিরিঞ্জ হাতে ফোটানোর আগে লক্ষ রাখুন নতুন সিরিঞ্জ ব্যবহার করা হচ্ছে কি না। আর আপনার রক্ত নেওয়া হয়ে যাওয়ার পরে খেয়াল করুন সিরিঞ্জটি ফেলে দেওয়া হচ্ছে কি না।

খালি পেটে রক্ত দিতে কখনোই যাওয়া উচিত নয়। রক্ত দেওয়ার আগে ভালো করে পানি খাওয়া উচিত এবং চা-কফি যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।  

বেশিরভাগ রক্তদান শিবিরেই রক্ত দেওয়ার পরে কিছু না কিছু খাবার দেওয়া হয়। সাধারণত রক্ত দেওয়ার পরে নোনতা কিছু খাবার খেতে হয়। ফ্রুট জুস, কুকিজ ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। 

কিডনি সুস্থ রাখতে মেনে চলুন এই ৬ নিয়ম

 শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে কিডনি সুস্থ রাখা আবশ্যিক। কিডনির অবস্থা ঠিক থাকলে শরীরে হরমোন ব্যালান্স ঠিক থাকে। এছাড়াও মানবদেহে ছাকনির কাজ করে এই অঙ্গ। তাই এটি সুস্থ রাখা বিশেষ প্রয়োজন।

কিন্তু ঠিক কী কী করণীয়? বিশেষজ্ঞরা বলছেন প্রাথমিকভাবে কয়েকটি নিয়ম মেনে চললেই সুস্থ থাকে কিডনি। দেখে নেওয়া যাক সেগুলো কী কী-

১. শরীরের হাইড্রেটেড রাখা প্রয়োজন। তাই যথেষ্ট পরিমাণে পানি পানের পরামর্শ দেন অনেকেই। কিন্তু পানি কম পান করার মতোই অতিরিক্ত পরিমাণে পানি পান করলেও কিছু ক্ষেত্রে বিপত্তি হতে পারে। কিডনি বিকল হলে অতিরিক্ত পরিমাণে পানি পানও বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই দিনে ৮ গ্লাস পানি পান স্বাভাবিক বলে পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের, যাতে মূত্রের রং হালকা হলুদ বা রঙহীন হয়।

২. ডায়েট ঠিও রাখা দরকার কিডনি ভালো রাখতে। ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ কিডনির অসুখ ডেকে আনার জন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাই স্বাস্থ্যকর এবং কম সোডিয়াম যুক্ত, কম কোলেস্টেরল যুক্ত খাবার খাওয়া বাঞ্ছনীয়।

৩. শরীরচর্চার কোনও বিকল্প নেই। তাই শরীরকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। ফলে ওজন, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল এবং রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকবে।

৪. রক্তের ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো বের করে দিয়ে ছাকনির কাজ করে কিডনি। তাই আপনারও দায়িত্ব কিডনিকে সুস্থ রাখা। অ্যালকোহল, ওষুধ ইত্যাদির ক্ষেত্রেও ছাকনির কাজ করে কিডনি। তাই প্রয়োজনের বেশি ওষুধ খাবেন না। মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন।

৫. প্রত্যেকের শরীরের আলাদা বৈশিষ্ট্য থাকে। তাই কারোর কিডনির রোগের সম্ভাবনাও বেশি থাকে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এগুলো থাকলে কিডনির ঝুঁকি থাকে। এছাড়া যারা বেশি মাত্রায় ধূমপান ও মদ্যপান করেন, হার্টের অসুখ রয়েছে বা ওবেসিটির শিকার তাদের এই সমস্যা হয়।

৬. কিডনির অসুখ সহজে বোঝা যায় না। নীরব ঘাতকের মতো এটি কাজ করে। উপসর্গ বোঝার আগে কিডনির ৯০ শতাংশ খারাপ হয়ে যায়। তাই আগে থেকেই কিডনির ব্যাপারে সচেতন থাকা প্রয়োজন। নিয়মিত কিডনির অবস্থা পরীক্ষা করান।

নবজাতকের যত্ন

নবজাতকের যত্ন   অধ্যাপক ডা. শাহীন আক্তার  অনলাইন ভার্সন নবজাতক শিশু একটি পরিবারের আনন্দের বার্তাবাহক! নবজাতকের সঠিক যত্ন নিশ্চিত করা অত্যন্ত...

Contact Form

Name

Email *

Message *