Translate

Tuesday, March 16, 2021

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যকর ডায়েটে টমেটো

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যকর ডায়েটে টমেটো


উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যকর ডায়েটে টমেটো
হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপে ধমনির বিরুদ্ধে রক্তের ঘনত্ব খুব বেশি থাকে। ফলে রক্তপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয় এবং রক্তনালিগুলোতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য নিয়ন্ত্রণ করা না হয় তবে এটি স্ট্রোকের কারণ হতে পারে। 

প্রতিদিনকার ডায়েটে কিছু সংযোজন-বিয়োজন করলে উচ্চ রক্তচাপে ভালো ফল পাওয়া যায়। অতি সুলভ মূল্যে হাতের কাছে অনেক ফল ও শাকসবজি আছে, যা হাইপারটেনশন নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবে। টমেটো একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েটে অত্যন্ত কার্যকর। প্রতিদিন সালাদ খাবার অভ্যাস করুন।

একটি ১০০ গ্রামের টমেটোতে ২৩৭ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম থাকে, যা সোডিয়ামের খারাপ প্রভাবগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। সালাদের  গাজরও পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ভিটামিন এ, সি এবং কে-১ প্রচুর পরিমাণে আছে। 

গবেষণার মাধ্যমে জানা যাচ্ছে, লবণ ছাড়া টমেটো উচ্চ রক্তচাপ কমিয়ে কলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও সাহায্য করবে। কার্ডিওভাসকুলার রোগের হাত থেকেও রক্ষা করবে । সম্প্রতি জাপানে এক গবেষণাতে দেখা গেছে, প্রতিদিন টমেটো খেলে হাইপার টেনশনও কমে যায়। 

টমেটোতে কিছু বায়োঅ্যাক্টিভ কম্পাউন্ড রয়েছে। ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ক্যারোটেনয়েড, গামা-অ্যামিনোবিউটারিক অ্যাসিড। শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যেও এই উপাদানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়াও এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। 

শুধু উচ্চ রক্তচাপ নয়, নিয়মিত টমেটো খেলে ত্বক এবং চোখের সমস্যা মেটাতেও সাহায্য করবে।  মেটাবলিজমও বুস্ট করে ফলে সারাদিন পরিশ্রম করার এনার্জি পাওয়া যায়।

Tuesday, March 9, 2021

পেয়ারার বীজসহ খেলে এতো উপকার জানলে অবাক হবেনই!

 পেয়ারার বীজসহ খেলে এতো উপকার জানলে অবাক হবেনই!

দেশী-বিদেশি সব জাতের পেয়ারার মওসুম চলছে। তবে সারা বছরই থাই পেয়ারা পাওয়া যায়। পেয়ারা খায় না এমন লোক খুব কমই পাওয়া যাবে। এর পুষ্টিগুণ যে অনেক তা সবারই জানা। কিন্তু অনেকেই পেয়ারার শাঁসটুকু খেয়ে বীজ ফেলে দেন। তাতে আসল পুষ্টিই বাদ পড়ছে।

খাদ্য বিশেষজ্ঞরা পেয়ারা বীজসহ খাওয়ার কথা বলেন। পেয়ারা বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম। পেয়ারা স্বাস্থ্যকর চামড়া, শরীর ও চুলের জন্য ভীষণই উপকারী। বরাবরই পেয়ারা খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।

পুষ্টিকর এই পেয়ারাতে রয়েছে ভিটামিন সি, ক্যারোটিনয়েডস, ফোলেট, পটাশিয়াম, আঁশ এবং ক্যালসিয়াম। একশ' গ্রাম পেয়ারায় দুইশ' মিলিগ্রাম ভিটামিন সি আছে অর্থাত্‍ পেয়ারায় কমলার চেয়ে ৪ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে। পেয়ারার খোসায় রয়েছে কমলায় চেয়ে পাঁচগুণ বেশি ভিটামিন সি।

এই ফলে লৌহ উপাদানও পর্যাপ্ত পরিমাণে বিদ্যমান। পুষ্টিমানের বিবেচনায় কমলার মান যেখানে ১৮৬ পয়েন্ট সেক্ষেত্রে পেয়ারার পুষ্টি মূল্যমান ৪২১ পয়েন্ট। পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট ও পলিফেনল আছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধক।

১০০ গ্রাম পেয়ারায় আছে- পানি ৮৬.১০ গ্রাম, শক্তি ৫১ কি.ক্যালোরী, প্রোটিন ০.৮২ গ্রাম, আঁশ ৫.৪ গ্রা. ফসফরাস ২৫ মি.গ্রা. সোডিয়াম ৩ মি.গ্রা. ভিটামিন এ ৭৯২ আই ইউ থাকে। তদুপরি পেয়ারাতে আছে ম্যাঙ্গানিজ, সেলিনিয়াম, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩ ইত্যাদি মূল্যবান খনিজ ও ভিটামিন।

রোগ প্রতিরোধে পেয়ারার অনেক গুণ রয়েছে। পেয়ারার বীজে ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ পলিআন-সেচুরেটেড ফ্যাটি এসিড ও আঁশ বিদ্যমান। পেয়ারা পাতার রস ক্যান্সার প্রতিরোধী এবং সংক্রমণ, প্রদাহ, ব্যথা জ্বর, বহুমূত্র, আমাশয় প্রভৃতি রোগে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

পুষ্টিকর এই সবুজ ফলটিকে ঘিরে ছোট ছোট নরম বীজের যে স্তর থাকে তাও কিন্তু সমান উপকারে আসে। অনেকেই অবশ্য বীজ পছন্দ করেন না এবং সাধারণত মসৃণ শাঁসটুকু খেয়ে বীজ ফেলে দেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, যে বীজ ফেলে দিচ্ছেন সেগুলোই পুষ্টির আকর! বীজ ফেলে দিয়ে কেন আপনি পুষ্টি থেকে পিছিয়ে থাকবেন?

কী আছে পেয়ারা বীজে? এবার তা দেখে নিন-

রক্তচাপ কমায়
উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে মোকাবিলা করা জন্য ডাক্তাররা অবশ্যই এই ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন। পেয়ারা বীজে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম (কলার থেকে ৬০% বেশি) থাকে যা শরীরে রক্তের প্রবাহ এবং চাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

ওজন কমাতে সাহায্য করে
পেয়ারাতে ফাইবার বেশি এবং কোলেস্টেরল শূন্য। এই ফলের বীজের সেরা গুণ হলো তা শরীরের কার্বোহাইড্রেটগুলো হ্রাস করে যা অতিরিক্ত ওজনের বৃদ্ধি ঘটায় না। ভিটামিন এবং খনিজের সঠিক মিশ্রণ দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভরা রাখে।

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি
পেয়ারা বীজে ফাইবার বেশি থাকায় তা হজমের সহায়ক হয় ও পেট পরিষ্কার করে। বীজগুলো যদি সরাসরি গিলে খাওয়া যায় তবে অ্যাসিডিটির সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে
পেয়ারা বীজে আছে প্রচুর প্রোটিন। এই বীজ চিনি এবং চিনি যৌগের একটি প্রধান অংশ ভাঙতে এবং মিষ্টি খাবার হজম করতে সাহায্য করে। প্রোটিন সমৃদ্ধ বীজ শরীরের ইনসুলিন মাত্রা কমে যেতে বাধা দেয়। টাইপ-২ ডায়াবেটিসের লক্ষণ দেখা দিলে পেয়ারা এবং এর বীজ একটি চমত্‍কার খাদ্য বিকল্প।

দুধ ও ডিম একসাথে খেলে কি হয়

 দুধ ও ডিম একসাথে খেলে কি হয়

সবাই জানেন যে দুধ ও ডিম্ খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব ভালো। । কিন্তু এই দুটি খাবার একসঙ্গে গ্রহণ করা উচিত নয় ।
দুধ আর ডিম একসঙ্গে খেলে কি শরীরের ক্ষতি হয়? চলুন কিছু বিষয় জেনে নেওয়া যাক-
একসাথে দুধ ও ডিম খাওয়ার ফলে নানা ধরণের পেটের সমস্যা হতে পারে। ডিম্ ও দুধ দুটোই প্রচুর প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার । সম্পূর্ণ সেদ্ধ ডিম কিংবা ভালোমতো ভাজা ডিমের সঙ্গে দুধ খাওয়া যাবে নিশ্চিন্তে।
অনেকে মনে করেন যে দুধ আর ডিম্ একসাথে খেলে গ্যাস এর সমস্যা হতে পারে কিন্তু ইটা সবার ক্ষেত্রে ঠিক নয়।অনেকের হজম ক্ষমতা বেশি থাকে তারা দুধ আর ডিম একসঙ্গে খেতে পারেন নিশ্চিন্তে।
দুধ ও ডিম দেহের প্রোটিন ভারসাম্য রক্ষা করে।

জাপানিদের মতো দীর্ঘায়ু চান, আজই বন্ধ করতে হবে কিছু খাবার

 জাপানিদের মতো দীর্ঘায়ু চান, আজই বন্ধ করতে হবে কিছু খাবার

দীর্ঘায়ুর জন্য জাপানের মানুষ বিশ্বজুড়ে খ্যাত হয়ে রয়েছে। জাপানিরা জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স আমেরিকা, ব্রিটেন ও কানাডার চেয়ে বেশি দিন বেঁচে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘায়ু হওয়ার পেছনে জাপানিদের ডায়েটের বিশেষ ভূমিকা আছে। 'ইন্টারন্যাশনাল কম্পেরিশন' এর এই রিপোর্টটি গত বছর ইউরোপীয় জার্নাল অফ ক্লিনিক নিউট্রিশনে ছাপা হয়েছিল।

মানুষের দীর্ঘায়ু বুঝতে 'ন্যাশনাল সেন্টার ফর গ্লোবাল হেলথ অ্যান্ড মেডিসিন' ১৫ বছর ধরে ৮০ হাজার পুরুষ ও মহিলাদের খাদ্যাভ্যাসের পদ্ধতি এবং অভ্যাস পর্যবেক্ষণ করেছে। এই গবেষণায় দেখা গেছে জাপানিরা ২০০৫ সালে জারি করা স্বাস্থ্যকর ডায়েটের গাইডলাইন কড়া ভাবে মেনে চলে।

এই গাইডলাইনে বলা হয়েছিল, প্রতিদিনকার খাবারে পাঁচ থেকে সাতটি শস্যদানা থাকবে। এ ছাড়া ছয় থেকে সাত রকম সবজি থাকতে হবে। এছাড়া দিনে ২-৩ বার মাছ/মাংস খেতেও বলা হয়েছিল। নানা ধরণের ফল এবং দুধ দিনে দুবার খেতে বলা হয়। এছাড়া এই গাইডলাইনে দেখা গিয়েছে, এতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট কম ছিল এবং হাই শর্করার খাবার ছিল।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, বেশি শস্য, শাকসব্জি, ফলমূল, মাংস, মাছ, ডিমের মতো খাবার এবং সীমিত অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় মানুষের আয়ু বাড়িয়ে তুলতে সহায়ক। এই মন্ত্রে আসলে জাপানিরা বিশ্বাস করে। তাঁরা মনে প্রাণে এটা মেনেও চলে।

সমীক্ষা বুলছে, জাপানিরা প্লেটের নেওয়ার চেয়ে বাটিতে খাবার খেতে বেশি পছন্দ করেন। খুব ধীরে ধীরে খায় তাঁরা। একই সঙ্গে খাবার সময় টিভি বা মোবাইল দেখা তাঁদের না পসন্দ। খাবার সময় তাঁরা খাবারের দিকেই মন দেন।

এছাড়া হাই কোলেস্টেরল যুক্ত খাবার যা কিনা আমরা বেশিরভাগ সময় খাই, জাপানিরা ঠিক এগুলিই এড়িয়ে চলে। সস, মাখন, ঘি, ক্রিম, পনির, কেক এসব খাবারে প্রচুর স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, এগুলি এড়িয়ে চলা উচিত্‍। একই সঙ্গে হাই সুগারের খাবার খাওয়াও এড়িয়ে চলতে হবে।

চা পান করা - জাপানিরা চা পান করতে খুব পছন্দ করে। গ্রিন টি পাতা থেকে তৈরি এক প্রকার চা তাঁরা খায়। এই চা পুষ্টিকর এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ। এই চা প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, হজমকে ঠিক রাখে এবং ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগ প্রতিরোধ করে।

নিয়মিত অনুশীলন - নিয়মিত অনুশীলন আপনাকে দীর্ঘজীবন পেতে সহায়তা করে। জাপানিরা বেশিক্ষণ বসতে পছন্দ করেন না। তারা প্রচুর হাঁটেন। বেশিরভাগ মানুষ হাঁটতে হাঁটতে বা সাইকেলেই কলেজ বা অফিস যান।

রোজ খেজুর খেলে মুক্তি মিলবে এই রোগ গুলো থেকে

 রোজ খেজুর খেলে মুক্তি মিলবে এই রোগ গুলো থেকে

সুস্বাদু আর বেশ পরিচিত একটি ফল, যা ফ্রুকটোজ ও গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ। এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়। খেজুর ফলকে চিনির বিকল্প হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। খেজুরের পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে বলা হয় চারটি বা ৩০ গ্রাম পরিমাণ খেজুরে আছে ৯০ ক্যালোরি, এক গ্রাম প্রোটিন, ১৩ মিলি গ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৮ গ্রাম ফাইবার এবং আরও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। খেজুর শক্তির একটি ভালো উত্‍স। তাই খেজুর খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হয়। আছে প্রচুর ভিটামিন বি, যা ভিটামিন বিসিক্স মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন খেজুর।
আয়রনে ভরপুর খেজুর খেতে পারেন প্রতিদিন। অন্তত দুটি খেজুর যদি প্রতিদিন খান তবে অনেক রোগ কাছেও ঘেঁষবে না। পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের সবই রয়েছে খেজুরে।

আসুন জেনে নিন খেজুরের উপকারিতা-

১. খেজুরে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়া। খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।

২. ফাইবারও মিলবে খেজুরে। তাই এই ফল ডায়েটে রাখতে পারেন নিশ্চিন্তে।

৩. প্রতিটি খেজুরে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

৪. রক্তস্বল্পতায় ভোগা রোগীরা প্রতিদিন খেজুর খেতে পারেন। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন প্রয়োজন, তার প্রায় ১১ ভাগ পূরণ করে খেজুর।

৫. যারা চিনি খান না তারা খেজুর খেতে পারেন। চিনির বিকল্প খেজুরের রস ও গুড়।

৬. কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় রাতে পানিতে খেজুর ভিজিয়ে রাখুন। পর দিন সকালে খেজুর ভেজানো পানি পান করুন। দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্য।

৭. খেজুরে থাকা নানা খনিজ হৃদস্পন্দনের হার ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

৮. খেজুরে লিউটেন ও জিক্সাথিন থাকায় তা রেটিনা ভালো রাখে।

নবজাতকের যত্ন

নবজাতকের যত্ন   অধ্যাপক ডা. শাহীন আক্তার  অনলাইন ভার্সন নবজাতক শিশু একটি পরিবারের আনন্দের বার্তাবাহক! নবজাতকের সঠিক যত্ন নিশ্চিত করা অত্যন্ত...

Contact Form

Name

Email *

Message *