Translate

Monday, May 17, 2021

Due to the fact that eat probiotics to increase digestion

 Due to the fact that eat probiotics to increase digestion

Due to the fact that eat probiotics to increase digestion
It is undeniable that nutritious foods and probiotics are included in the daily diet to boost the body's resistance to disease. Experts say that corona treatment begins to reduce digestion due to taking high anti-biotics. 

The patient's body becomes weaker. The result is abdominal pain, constipation and bloating. Probiotics increase the number of good bacteria in the body and improve digestion.

The best source of probiotics is tocai. It also improves intestinal and bone health. Accelerates the digestive process by increasing the useful bacteria in the body.

Cucumbers soaked in salt and water are a good source of vitamin K. This pickle improves digestive health due to its sour taste. It is a great source of healthy probiotic bacteria. 

Kimchi is a Korean dish. Which is made using cabbage, pepper, garlic, ginger, salt and scallops. This food enhances digestion.

Also homemade butter milk is another rich source of probiotics. It is low in fat and contains essential vitamins and minerals such as B-12, riboflavin, calcium and phosphorus. Which enhances immunity.

According to experts, it is important to add probiotic foods to the daily diet during coronal period. Because these not only increase digestion, but also help to increase immunity. 

লেটুস পাতার গুণাগুণ

লেটুস পাতার গুণাগুণ


লেটুস পাতার গুণাগুণ
লেটুস পাতা। আমরা সবাই প্রায় এই পাতাটি চিনি। ইতিহাসবিদরা বলেন, এই সবুজ পাতাটির চাষ প্রথম মিশরীয়রা শুরু করেছিল। তারা এই পাতাটি শাক হিসেবে চাষ করতেন। এমনকি এই পাতার বীজ থেকে তেলও বের করা হত। যদিও পরে এই লেটুস পাতার চাষ গ্রীক ও রোমানরা শুরু করে।

লেটুস পাতার আরেক নাম হল আইসবার্গ লেটুস। এই অদ্ভুদ নামের কারণ হল লেটুস বা যে কোনও শাক ফ্রিজে না রাখা হলে তা নষ্ট হয় যেত। বিংশ শতাব্দীতে সব জায়গায় ফ্রিজ পাওয়া যেত না। তাই ক্যালিফোর্নিয়ার লোকেরা বরফের মাধ্যমে শাকগুলি সংরক্ষণ করত। তখন থেকেই এর নাম আইসবার্গ। 

লেটুস পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ। এই পাতার মধ্যে থাকে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ভিটামিন বি-৬, আয়রন, পটাসিয়াম।

লেটুস পাতা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। কারণ এর মধ্যে বিটা ক্যারোটিন ও লুটিনের মত অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে। এই ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্টগুলি ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি হ্রাস করে।

লেটুস পাতা ঘুমাতে সাহায্য করে। আপনি যদি অতিরিক্ত পরিমাণে লেটুস পাতা খান তাহলে আপনি অল্প সময়ের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়বেন। কারণ এর মধ্যে ল্যাকট্যাক্যারিয়াম নামক একটি উপাদান থাকে যা ঘুমাতে সাহায্য করে।

Monday, April 5, 2021

আম-পুদিনার শরবত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

আম-পুদিনার শরবত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

আম-পুদিনার শরবত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
কাঁচা আম সকলের কাছেই পছন্দনীয় এবং খেতেও সুস্বাদু। আচার, ভর্তা, শরবত বিভিন্নভাবেই খেতে এটি সমান জনপ্রিয়। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে 'ভিটামিন সি' যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। করোনা মহামারি সংক্রমণ রোধে ভিটামিন সি খুবই কার্যকরি। 

শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো ছাড়াও বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে ভিটামিন সি। তাই এর ঘাটতি পূরণে খাদ্য তালিকায় কাঁচা আম রাখা সবচেয়ে সহজলভ্য।

কাঁচা আম বিভিন্ন উপায়ে খাওয়া গেলেও এর সঠিক পুষ্টিগুন পেতে শরবত খাওয়ার বিকল্প নেই। গরমে এক গ্লাস কাঁচা আমের শরবত খেলে যেন মুহূর্তেই শরীরে স্বস্তি দেয়। বিভিন্নভাবে কাঁচা আমের শরবত তৈরি করা যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে সহজ একটি উপায় হলো 'কাঁচা আম ও পুদিনা পাতা' দিয়ে তৈরি শরবত। 

পুদিনা পাতা তাপ নিয়ন্ত্রণ করে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। এর রস পিষে দু'তিন ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে পান করলে ক্লান্তিভাব দূর হয়। নিয়মিত পুদিনা পাতা খাওয়ার অভ্যাস করতে পারলে বুকে কফ জমতে পারেনা। এতে থাকা ‘মেন্থল’ পেশিকে শিথিল করার মাধ্যমে শরীরের ব্যথা কমায়।

দীর্ঘদিন আয়রনের ঘাটতিতে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়

দীর্ঘদিন আয়রনের ঘাটতিতে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়

দীর্ঘদিন আয়রনের ঘাটতিতে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়
আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিনের মূল উপাদান গঠন করে। শরীরের আয়রনের পরিমাণ কমে গেলে রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দেয়। অধিক রক্তশূন্যতার জন্য রক্ত নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। মহিলাদের পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও গর্ভবতী মায়েদের রক্তশূন্যতার সমস্যা বেশি থাকলেও নারী-পুরুষ ভেদে সকলের আয়রন ঘাটতি হতে পারে।

আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতার সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো ক্লান্তি। কারণ তখন শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রনের অভাবে হিমোগ্লোবিন তৈরি করতে পারে না। পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন ছাড়া পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেন টিস্যু এবং পেশিতে পৌঁছায় না। শরীর ক্লান্তবোধ করে।

শরীরে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম হলে ত্বক ফ্যাকাশে দেখায়। এমন সমস্যায় অনেকের মুখ, মাড়ি, ঠোঁট, নিচের চোখের পাতা এবং নখও ফ্যাকাশে দেখায়।

দীর্ঘদিন এ সমস্যার চিকিৎসা করা না হলে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ, হৃদরোগজনিত জটিলতা দেখা দিতে পারে। শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়। সময়মতো চিকিৎসা করানো না হলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ারও ঝুঁকি বাড়ে।

ত্বক-চুলের ক্ষতি রক্তে হিমোগ্লোবিনের অভাবে কোষগুলোতে অক্সিজেন সরবরাহ কম হয়। ত্বক, চুল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়, চুল পড়া এবং নখ ভেঙে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

কোলেস্টেরল কমায় ছাতুর শরবত

কোলেস্টেরল কমায় ছাতুর শরবত

কোলেস্টেরল কমায় ছাতুর শরবত
ছাতু আমাদের খাদ্য তালিকায় খুব পরিচিত না হলেও গবেষণায় দেখা গেছে ছাতু কোষ্ঠকাঠিন্যসহ পেটের সকল সমস্যার সমাধান করে। ছাতুতে থাকা প্রচুর ফাইবার বিপাক ক্রিয়া সহজ করে দিয়ে কোলন ক্যান্সার রোধ করে।

ছাতুর ফাইবার হার্টের কোলেস্টেরল কমায়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। তাই চিকিৎসকরা অবস্থা বুঝে অনেককেই নিয়মিত ছাতুর শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন। এতে হৃদরোগের আশঙ্কা কমে।

ছাতুতে প্রচুর উদ্ভিজ্জ প্রোটিন থাকায় রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। একই সঙ্গে এটি গ্লাইসেমিক ইনডেক্সে বেশ তলার দিকে। ফলে এটি রক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে দেয়। চিকিৎসকরা তাই ডায়াবিটিসের রোগীদের এই শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন।

চুল ভাল রাখতে ছাতু ভীষণ উপকারী। এতে থাকা নানা ভিটামিন ও খনিজের কারণে এটি ত্বক উজ্জ্বল করে। নিয়মিত ছাতুর শরবত ত্বক ও চুলের পুষ্টি যোগায়।

 

ঢেঁড়স খেলে দূরে থাকে ডায়াবেটিস

ঢেঁড়স খেলে দূরে থাকে ডায়াবেটিস

ঢেঁড়স খেলে দূরে থাকে ডায়াবেটিস
আমাদের সকলের পরিচিত একটি সবজি হলো ঢেঁড়স। এই ঢেঁড়সকে একটু অবহেলা করে দেখা হয়। কিন্তু পুষ্টি বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, ঢেঁড়সের খাদ্যগুণ অনেক। 

পেটের কষ্ট থেকে মুক্তি দেয় এই ঢেঁড়স। এর ফাইবার হজমে বিশেষ সহায়তা করে। ঢেঁড়সে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন, আছে ভিটামিন-এ। ফলে ঢেঁড়স চোখের জন্য খুবই উপকারী। 

নিয়মিত ঢেঁড়স খেলে শরীরে জরুরি ইমিউনিটি সিস্টেম তৈরি হয়ে যায়। ভাইরাসজনিত সংক্রমণ এড়াতে এটি খুবই সাহায্য করে। ঢেঁড়সে ভিটামিন-সি থাকায় তা ত্বকের ক্ষেত্রেও খুব উপকারী। ফলে গরমকালে ত্বক সুস্থ রাখতে ঢেঁড়স খুবই কার্যকরী। 

ঢেঁড়স ওজনও নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে এটি ওজন কমায়। অ্যান্টি ওবেসিটি কোয়ালিটি রয়েছে বলেও ঢেঁড়সের কদর যথেষ্ট। 

ঢেঁড়স ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও খুব কার্যকরী। এখন প্রতি ঘরেই ডায়াবেটিস রোগী রয়েছে। ফলে ঢেঁড়স ডায়াবেটিসে রোগীদের জন্য এখন খুবই জরুরি খাদ্যে পরিণত হয়েছে। 

ঢেঁড়সে কোলেস্টেরল লেভেল খুবই কম। ফলে ঢেঁড়স হৃদরোগীদের ক্ষেত্রেও উপকারী। ঢেঁড়স রক্তে লোহিত কণিকা বাড়াতেও সাহায্য করে।

রক্তে কোলস্টেরল কমিয়ে হার্ট ও লিভার সুস্থ রাখে তেঁতুল

রক্তে কোলস্টেরল কমিয়ে হার্ট ও লিভার সুস্থ রাখে তেঁতুল

রক্তে কোলস্টেরল কমিয়ে হার্ট ও লিভার সুস্থ রাখে তেঁতুল
অত্যাধিক ওজনের কারণে হার্ট, লিভার, কিডনির বিকল হয়ে পড়ে। তেঁতুল রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমিয়ে উপকারী কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয়। 

গবেষণায় জানা যায়, ওজন কমাতে ও লিভারের সংক্রমণ রুখতে সাহায্য করে পাকা তেঁতুল। তেঁতুলের মধ্যে উপস্থিত নিকেল, ‌রুপো, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, প্রদাহ রোধে সাহায্য করে।

ত্বকের উন্নতিতেও বিশেষভাবে সাহায্য করে তেঁতুল। তেঁতুল দীর্ঘদিন ধরে ন্যাচারাল স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আলফা হাইড্রোক্সিল অ্যাসিডের জন্য ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে এটি। এতে থাকে টার্টারিক অ্যাসিড ও ল্যাকটিক অ্যাসিড যা  ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে।

তেঁতুলে রয়েছে উচ্চমাত্রার অ্যাসিড, চিনি, ভিটামিন বি, এবং ক্যালসিয়াম। কাঁচা অথবা পাকা তেঁতুল খেলে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপ্রেসার তাৎক্ষণিকভাবে উপশম হয়।

তেঁতুলে টারটারিক অ্যাসিড থাকায় খাবার হজমে সহায়তা করে। পাকা তেঁতুল ভিজিয়ে রেখে সকালে শুধু পানি খেলে হাত-পায়ের জ্বালা কমে। পেটের বায়ু, হাত-পা জ্বালায় তেঁতুলের শরবত খুব উপকারী। অত্যধিক জ্বর কমাতেও তেতুল কার্যকর। স্কেলিটাল ফ্রুরোসিস রোগের প্রকোপ হ্রাস করতেও তেঁতুল ব্যবহৃত হয়। 

গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায় পেঁপে

গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায় পেঁপে

গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায় পেঁপে
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ পেঁপে খাদ্যতালিকার মধ্যে আমরা সবাই কম-বেশি রাখি। এতে প্যাপেইন নামক এনজাইম খাদ্যের বিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। কিন্তু শারীরিক অবস্থা ও বয়সভেদে পেঁপে খাওয়া উচিত। 

বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে পেঁপে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায়। চিকিৎসকরা গর্ভাবস্থায় নারীদের পেঁপে খাওয়া এড়ানোর পরামর্শ দেন। পেঁপের বীজ, শিকড় এবং পাতা গর্ভের শিশুর জন্য ক্ষতিকর। প্রেগন্যান্সির প্রথম তিন মাস অবশ্যই কাঁচা পেঁপে সেদ্ধ, রান্নায় পেঁপে বা পাকা খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। পরের দিকেও পেঁপে খেলে গর্ভপাত না হলেও রক্তপাত হতে পারে।

কাঁচা পেঁপেতে থাকা প্যাপেইন দেহের ঝিল্লি ক্ষতিগ্রস্ত করে। পেঁপে ল্যাটেক্সসমৃদ্ধ, যা জরায়ুর সংকোচন, রক্তপাত এবং এমনকি গর্ভপাত ঘটাতে পারে।

এছাড়াও চিকিৎসকদের পরামর্শ মতে, এক বছরের কম বয়সী শিশুদেরকে পেঁপে খাওয়ানো উচিত নয়। পেঁপেতে অনেক ফাইবার থাকে, যা ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে সমস্যার কারণ হতে পারে। কারণ শিশুরা কম পানি পান করে। এতে তাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগতে হতে পারে। তাই কাঁচা অথবা রান্না কোন অবস্থাতেই শিশুদেরকে পেঁপে খাওয়ানো উচিত নয়।

ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও পেঁপে ক্ষতিকর হতে পারে। এতে থাকা নানা পুষ্টি উপাদান টাইপ-১ এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে। তবে বেশি পরিমাণে পেঁপে খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীর জন্য বিপজ্জনক। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের পেঁপে খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

যাদের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা আছে তাদের জন্যও পেঁপে ক্ষতিকর। পেঁপেতে উপস্থিত একটি এনজাইমকে অ্যালার্জেন বলে। এর অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতা যেমন হাঁপানির মতো সমস্যা বাড়তে পারে।

কোষ্ঠকাঠিন্যে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সাধারণত পেঁপে খেতে বলা হয়। তবে অতিরিক্ত খেলে পেটে জ্বালা-পোড়া ভাব এবং ব্যথা হতে পারে। এতে উপস্থিত প্রচুর পরিমাণে ফাইবার হজম সিস্টেমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। গবেষণায় জানা গেছে, পেঁপে অতিরিক্ত খেলে ফোলাভাব, পেট ফাঁপা এবং বমিভাব হতে পারে।

একগুঁয়ে বাচ্চারাই পেশাজীবনে সফল হয় বেশি : গবেষণা

একগুঁয়ে বাচ্চারাই পেশাজীবনে সফল হয় বেশি : গবেষণা

একগুঁয়ে বাচ্চারাই পেশাজীবনে সফল হয় বেশি : গবেষণা
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, একগুঁয়ে বাচ্চারাই বড় হওয়ার পর পেশাজীবনে সফল হয় বেশি। ছয়জন বিজ্ঞানী ৯ থেকে ৪০ বছর বয়সী ৭০০'রও বেশি মানুষের ওপর এই জরিপ চালান। ডেভেলপম্যান্ট সাইকোলজি জার্নালে ২০১৫ সালে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়।

গবেষকরা জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নিয়ম ভাঙ্গার প্রবণতা, অধিকারের বোধ, বাবা-মায়ের সঙ্গে স্পর্ধা দেখানোর প্রবণতা এবং তারা পড়াশোনায় কতটা সময় ব্যয় করেছিলেন তাতে বিশেষ মনোযোগ দেন গবেষণাকারীরা।

গবেষণা শেষে গবেষকরা জানান, যারা শিশু বয়সে অভিভাবকদের অবাধ্য ছিল পেশাজীবনে এসে তারাই বেশি বেতনের চাকরি করছে।তবে অবাধ্য হওয়ার সঙ্গে বেশি বেতনের সম্পর্কটা কোথায় সেটির ব্যাখ্যা দিতে পারেননি গবেষকরা। জরিপে অংশ নেওয়া নিয়মভাঙা এই ব্যক্তিরা বেশি বেতনের চাকরি করছে কারণ শিক্ষাজীবন থেকেই তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব ছিল এবং এরফলে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে চাকরির বাজারে তাদের চাহিদা বেড়ে যায়। 

তবে অর্থোপার্জনের জন্য এই শ্রেণির ব্যক্তিদের কারও কারও যে অসৎ পথে পা বাড়ানোর সম্ভাবনাও আছে জরিপে সেটিও নাকচ করে দেননি গবেষকরা। 

মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়িয়ে দেয় যে ৬ অভ্যাস

মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়িয়ে দেয় যে ৬ অভ্যাস

মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়িয়ে দেয় যে ৬ অভ্যাস
মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যে কোনও এক পাশ থেকে শুরু হয়ে তা মারাত্মক কষ্টকর হয়ে ওঠে। মাইগ্রেনের যন্ত্রণা অত্যন্ত কষ্টদায়ক এবং দীর্ঘস্থায়ী। যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে, তীব্র মাথা যন্ত্রণার পাশাপাশি তাদের বমি বমি ভাব, শরীরে এবং মুখে অস্বস্তিভাব দেখা দিতে পারে। এই ব্যথা টানা বেশ কয়েকদিন থাকে। তাই যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে, তাদের এই ব্যথার জন্য দায়ী কিছু কাজ বা অভ্যাস এড়িয়ে চলাই ভাল। এতে মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব হতে পারে।

১) পেট খালি রাখা: পেট খালি থাকলে মাইগ্রেনের ব্যথা বা সমস্যা শুরু হতে পারে। এর কারণ হলো- খালি পেটে থাকলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয় যা মাইগ্রেনের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

২) আবহাওয়া: অতিরিক্ত রোদে ঘোরাঘুরির কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে। এছাড়াও অতিরিক্ত গরম, অতিরিক্ত আর্দ্রতার তারতম্যে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হয়ে থাকে।

৩) মানসিক চাপ: যারা অনেক বেশি চাপ নিয়ে একটানা কাজ করে চলেন এবং নিজের ঘুম ও খাওয়া-দাওয়ার কোনও নির্দিষ্ট সময় মেনে চলতে পারেন না, তাদের বেশি মাইগ্রেনে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। তাই মানসিক চাপ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। খুব মানসিক চাপে থাকলে এক কাপ লেবু চা খেয়ে নিন। এতে মস্তিষ্ক কিছুটা রিলাক্স হবে।

৪) অতিরিক্ত চিনি জাতিয় খাবার খাওয়া: আমরা যখন অনেক বেশি মিষ্টি খাবার খেয়ে ফেলি তখন আমাদের রক্তের সুগারের মাত্রা বেড়ে যায় যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত ইনসুলিনের উৎপাদন হতে থাকে। যার ফলে রক্তের সুগারের মাত্রা নেমে যায়। এভাবে হঠাৎ হঠাৎ রক্তে সুগারের মাত্রার তারতম্য হওয়ার কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে।

৫) অতিরিক্ত আওয়াজ: অতিরিক্ত আওয়াজ, খুব জোরে গান শোনা ইত্যাদির কারণেও মাইগ্রেনের সমস্যা শুরু হয়ে যেতে পারে। প্রচণ্ড জোরে আওয়াজের কারণে প্রায় দু’দিন টানা মাইগ্রেনের ব্যথা হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৬) অতিরিক্ত ঘুমানো: মাত্র এক দিনের ঘুমের অনিয়মের কারণে শরীরের উপরে খারাপ প্রভাব পড়তে পাড়ে। যেমন- যারা নিয়মিত মোটামুটি ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা করে ঘুমান, তারা যদি হুট করে একদিন একটু বেশি ঘুমিয়ে ফেলেন, সেক্ষেত্রে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হয়ে যায়।

নবজাতকের যত্ন

নবজাতকের যত্ন   অধ্যাপক ডা. শাহীন আক্তার  অনলাইন ভার্সন নবজাতক শিশু একটি পরিবারের আনন্দের বার্তাবাহক! নবজাতকের সঠিক যত্ন নিশ্চিত করা অত্যন্ত...

Contact Form

Name

Email *

Message *