Translate

Saturday, March 1, 2025

নবজাতকের যত্ন

নবজাতকের যত্ন

 অধ্যাপক ডা. শাহীন আক্তার
 অনলাইন ভার্সন
নবজাতকের যত্ন
নবজাতক শিশু একটি পরিবারের আনন্দের বার্তাবাহক! নবজাতকের সঠিক যত্ন নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ এ ব্যাপারে কিছু কথা লিখব।

প্রথমত শিশুর যত্নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটি হচ্ছে জন্মের পর পরই বুকের দুধ পান করাতে শুরু করা। অনেক অভিভাবক বা মুরুব্বি মনে করেন যে বুকে যেহেতু দুধ নামেনি, সেহেতু শিশুকে বুকে লাগানোর প্রয়োজন নেই। কিন্তু চিকিৎসকগণ বলে থাকেন, জন্মের পর পর যত দ্রুত সম্ভব এমনকি মায়ের গর্ভফুল প্রসব হওয়ার আগেই বাচ্চাকে মায়ের বুকে লাগাতে হবে। 

আমরা জানি, শিশুর জন্মের পর পরই প্রথম এক-দুই দিন বুকের দুধ নামে না। তখন ঘন হালকা হলুদ রঙের যে শাল দুধ বের হয় সেটি পুষ্টিগুণে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় অত্যন্ত উচ্চমানসম্পন্ন। আমরা জন্মের পরপরই শিশুকে বুকের দুধে লাগাব এবং বাচ্চাকে দুধ খাওয়াতে শুরু করব এতে মার বুকে দুধের প্রবাহ বাড়বে এবং শিশুটিও দ্রুত দুধ খাওয়া শিখে যাবে এবং মায়ের বুকের দুধ জমে বুক শক্ত হয়ে যাবে না, মা অনায়াসে বুকের দুধ খাওয়াতে পারবেন।

শিশুর যত্নে দ্বিতীয় যে জিনিসটি লক্ষ্য রাখতে হবে তা হচ্ছে শিশুকে উষ্ণ রাখা। শিশুকে একটি মোটা তোয়ালে দিয়ে পেঁচিয়ে না রেখে আমরা কয়েক স্তরে নরম সুতি কাপড় দিয়ে পেঁচাবো। অতিরিক্ত রঙচঙে, জরিযুক্ত বা সিনথেটিক কাপড় দিয়ে শিশুকে পেঁচানো উচিত নয়। বাজার থেকে কাপড় কিনে এনে সরাসরি শিশুকে না পরিয়ে, কাপড়টি যেন ধুয়ে রোদে শুকিয়ে তারপর পরানো হয়।

পরবর্তী যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলব সেটি হচ্ছে নাভির যত্ন। চিকিৎসক, প্রশিক্ষিত ধাত্রী বা সেবিকা যে-ই থাকুন না কেন, প্রসবের পর পরই বাচ্চার নাভিটিকে একটি জীবাণুমুক্ত ব্লেড দিয়ে কাটবেন এবং দুটি জীবাণুমুক্ত ক্ল্যাম্প বা সুতা দিয়ে নাভিটিকে বেঁধে দিবেন। এরপর, নাভিতে একবার একটি ঘন স্পিরিট লাগিয়ে দিতে হবে।

বাসায় আনার পরে আমরা লক্ষ্য রাখব নাভিতে যেন কোনো ধরনের সেঁক দেওয়া না হয়। এছাড়া কোনো মলম বা স্পিরিট দেওয়ারও প্রয়োজন নেই। নাভিটিকে শুকনো পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। নাভি ঝরে পড়ে যাওয়ার পরেও নাভিমূলে কোনো রকম সেঁক বা মলম দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

এরপরে যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলব তা হচ্ছে শিশুর ত্বকের যত্ন। আমরা শিশুর ত্বকে সরিষার তেল, বিভিন্ন রকমের তেল বা লোশন মেখে থাকি। সরিষার তেল কিন্তু ত্বকের যত্নের জন্য উপকারী নয়, তা যত খাঁটিই হোক না কেন। অলিভ অয়েল শিশুর ত্বকের যত্নে সবচেয়ে ভালো তেল। 

শিশুকে আমরা যে কোনো একটি বেবি সোপ দিয়ে গোসল করাব এবং গোসলের আগে বা পরে অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করব। আমরা মাঝেমধ্যে সকালের নরম রোদে শিশুকে দিতে পারি, আবার লক্ষ্য রাখতে হবে খোলামেলা রাখার ফলে যেন ঠান্ডা না লেগে যায়।। নবজাতকের চোখে বা ভ্রুতে কাজল দেওয়াটা পরিহার করতে হবে, কেননা এতে চোখে জীবাণু সংক্রমণ হতে পারে। 

শিশুর যত্নের ব্যাপারে আরেকটি কথা আমরা বলে থাকি, তা হচ্ছে শিশুকে দেখতে অনেক আত্মীয়স্বজন যেন ঘরে ভিড় না করেন। কেননা আত্মীয়স্বজনের মধ্যে অনেকের শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বা ত্বকের সংক্রমণ থেকে থাকে। তা থেকে নবজাতক শিশুটির ত্বকের এবং শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন অসুখ হতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি বিষয় জানাতে চাই, তা হচ্ছে শিশুর বিপদ চিহ্নসমূহ। যে লক্ষণগুলো দেখলে আমরা একটি নবজাতক শিশুকে অসুস্থ মনে করব সেগুলোই বিপদচিহ্ন। তার মধ্যে প্রথম যে লক্ষণটি কথা আমরা বলি সেটি হচ্ছে শিশুর শরীর গরম হয়ে যাওযা বা জ্বর আসা (১০০ ডিগ্রি বা তার বেশি) অথবা শিশুর শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া (৯৭ ডিগ্রির কম)। 

এছাড়া আমরা যদি দেখি শিশু খাবার খেতে পারছে না বা খাবার খেতে আগ্রহী না বা শিশু ঘন ঘন শ্বাস নিচ্ছে প্রতি মিনিটে ৬০ বারের বেশি বা বুকের খাঁচা ভেঙে যাচ্ছে অথবা শিশুটি নিস্তেজ হয়ে পড়ছে, কোনো রকম নড়াচড়া করছে না বা খিঁচুনি হচ্ছে অথবা শিশুর শরীরে জন্ডিস দেখা যাচ্ছে যাতে হাত-পায়ের তালু পায়ের তালু হলুদ হয়ে গেছে, তখন আমরা বুঝে নেব যে শিশুটি মারাত্মক অসুস্থ এবং তাকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে।

শিশুর যত্ন প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি ব্যাপার আমি বলতে চাই, তা হচ্ছে প্রসূতি মায়ের যত্ন। প্রসব-পরবর্তী অনেক মা খুব অসহায়বোধ করেন। মাকে পরিপূর্ণ মানসিক সাপোর্ট দেওয়া জরুরি। মায়ের খাবারটি যেন সুষম খাবার হয় আমাদের সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। অনেক সময় প্রসূতি মা নিজের শারীরিক সমস্যা এবং শিশুর যত্নে ব্যস্ত থাকার কারণে ঘুমাতে পারেন না। আমরা পরিবারের সবাই মিলে মাকে ঘুমানোর সুযোগ করে দিব। 

পরিশেষে বলা যেতে পারে, নবজাতকের যত্নের মূল কথাগুলো হচ্ছে প্রসবের পরপর অতি দ্রুত বুকের দুধ পান করানো এবং শুধু বুকের দুধ খাওয়ানো, শিশুকে উষ্ণ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ত্বকে অতিরিক্ত প্রসাধনে কাজল পাউডার ইত্যাদি ব্যবহার বর্জন করা, নাভি শুকনা ও পরিচ্ছন্ন রাখা এবং বিপদ চিহ্নগুলো লক্ষ্য রাখা। এই কয়েকটি ব্যাপার যদি আমরা লক্ষ্য রাখে তাহলে আমরা সঠিকভাবে একটি নবজাতকের বৃদ্ধি বা নবজাতকের যত্ন নিশ্চিত করতে পারব 

শিশুদের হার্টের রোগ কাওয়াসাকি ডিজিজ

শিশুদের হার্টের রোগ কাওয়াসাকি ডিজিজ

 ডা. ইমনুল ইসলাম ইমন
 অনলাইন ভার্সন
শিশুদের হার্টের রোগ কাওয়াসাকি ডিজিজ

জাপানি এক চিকিৎসক ডা. তমিসাকু কাওয়াসাকি ১৯৬৭ সালে সর্ব প্রথম এই রোগ শনাক্ত করেন। এবং পরবর্তীতে উনি একটি জার্নালে এই রোগ সম্পর্কে তার বিস্তারিত তুলে ধরেন। কাওয়াসাকি ডিজিজ এই রোগটি আসলে একটি রক্ত নালির রোগ। এবং এটি একটি বিরল রোগ। কিন্তু বর্তমানে শিশুদের জন্মগত হার্টের রোগ, বাতজ্বরজনিত হার্টের রোগ এর পরেই এই রোগটির স্থান বলে পরিগণিত হয়েছে। 

আমরা দেখতে পাচ্ছি আমাদের চারপাশে দিনদিন এই রোগটির রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। সাধারণত ৫ বছরের নিচের শিশুদের দুই-তিন বছরের মধ্যে এই রোগটি বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যায়। এই রোগে সাধারণত ছেলে শিশুরায় বেশি আক্রান্ত হয়। 

এই রোগের বিস্তারের একটা সময়কাল আছে। সাধারণত শীতের শেষে ও বসন্তের সময় কালে এই রোগটি আমরা বেশি শনাক্ত করতে পারি। এই রোগটি একটি বিশেষ বয়সের রোগ এবং একটি বিশেষ সময়ে দেখতে পাওয়া যায়। 

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই রোগটির দেখা যায় তবে এসিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এটি বেশি মাত্রায় দেখা যায়। যেমন জাপানে এই রোগটি সব থেকে বেশি পরিমাণে দেখা যায়, তার পরে তায়ওয়ান কোরিয়াতেও এই রোগটি দেখতে পায়া যায়। পাশাপাশি আমরা যদি উন্নতবিশ্বে ইউরোপ আমেরিকার দিকে তাকায় সেখানেই এই রোগটি বেশ ব্যাপক হারে শনাক্ত হচ্ছে। 

রোগটির কারণ কী 

কারণ হিসাবে যে বিষয়টি আসছে সেটা হচ্ছে শরীরের প্রোটিন ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে এই রোগটি হয়ে থাকে। কখনো কখনো কোন কোন জীবাণুর প্রভাবের কারণেও এই রোগটি দেখা যায়। এবং একই সঙ্গে জেনেটিক কারণেও এই রোগটিতে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। 

কীভাবে এই রোগটি শনাক্ত করা যায়

এই রোগটির মূল বিষয় হচ্ছে অবশ্যই শরীরে জ্বর থাকবে, জ্বর ০৫ দিনের বেশি স্থায়ী হবে এবং আরও কিছু লক্ষন সুষ্পষ্টভাবে প্রকাশ পেলেই আমরা মনে করতে পারি শিশুটি হয়তোবা কাওয়াসাকি ডিজিজে আক্রান্ত হতে যাচ্ছে। আমরা যদি উপর থেকে দেখি, জ্বরের সাথে প্রথমেই যে জিনিসটি দেখব তা হলো তার চোখগুলো লালচে হয়ে গেছে, তবে সেখানে কোনো পুঁজ থাকবে না। ঠোঁটগুলো লাল, ফাঁটা ফাঁটা, জিহ্বাটাও বেশ লালচে দেখা যায়। এবং এত লালচে যে দেখলে মনে হবে যেন স্ট্রবেরির মতো। 

গলার পেছনটা বেশ লালচে হয়ে দগদগে হয়ে থাকে। একই সঙ্গে গলার চারপাশে যে লসিকা গ্রন্থিগুলো আছে সেগুলো একটু ফুলে যেতে দেখব। যে কোনো এক সাইট, ডান অথবা বাম সাইট বেশ ফুলে থাকে। যেটার সাইজ প্রায় ১.৫ সেন্টিমিটারের বেশি হতে পারে। শরীরজুড়ে এক ধরনের ফুসকুটি বা র‌্যাশ বামরা বুকে পেটে হাতে দেখতে পাব। তার হাত পাগুলো একটু ফোলা ফোলা বেশ লালচে হয়ে দেখা যায়। 

আমরা এই বিরল রোগটি নিয়ে কেন কথা বলছি। আমরা কিন্তু শুরুতেই বলেছি বর্তমানে শিশুদের এটি অন্যতম একটি হার্টের রোগ। হার্টের কী ধরনের জটিলতা করে যার কারণে এই রোগ সম্পর্কে আমাদের সম্মুখ ধারণা থাকা প্রয়োজন। আমরা আগেই বলেছি, এটা একটা রক্তনালির রোগ। হার্টের যে করোনারি রক্তনালি আছে, সেই রক্তনালিগুলো ফুলেফেঁপে গিয়ে ছিঁড়ে যেতে পারে, অনেক সময় রক্ত প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। যার কারনে হার্টের মধ্যে বিভিন্ন রকমেন প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। 

পাশাপাশি হার্টের যে বিভিন্ন মাংসপেশি আছে যেমন আমরা বলি পেরিকাডায়টিস। হার্টের বাইরের যে আবরণ এখানেও কিন্তু ফুলে যেয়ে পানি জমতে পারে, আমরা বলি মায়োকাডাইটিস হার্টের যে বিভিন্ন মাংসপেশি সেখানেও আক্রান্ত করে নাড়ির যে গতি আছে সেখানে নাড়ির গতির অসমঞ্জস্যতা তৈরি করে। আমরা এটাকে বলি এরিগনা তৈরি করে। হার্টের যে একদম ভিতরের লেয়ার, আমরা বলি এন্ডোকার্ডায়টিস, সেখানে যে বিভিন্ন ভাল্ব থাকে সেখানেও সে বিভিন্ন রকমের প্রদাহের কারণ সৃষ্টি করে। হার্টের এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে সে প্রভাব বিস্তার করে না। হার্টের পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন অংশেও এর প্রভাব বিস্তার করতে দেখা যায়। 

এই রোগের চিকিৎসা কি বা কিভাবে শনাক্ত করব

এই রোগের যে লক্ষণগুলো আমরা আগেই বলেছি সেগুলো যদি কারও শরীরে এই লক্ষনগুলো প্রকাশ পায় তাহলে কিন্তু আমরা সহজেই এই রোগটি শনাক্ত করতে পাব। এই রোগের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরিক্ষা আছে যে পরীক্ষা নিরিক্ষাগুলো করে আমরা জানতে পারি যেয এই রোগটি অন্য কোনো ইনফেকশন না অন্য কোন ভাইরাস জনিত রোগ না সেটা আমরা পৃথক করতে পারবো। তারপরে সেক্ষেত্রে আমরা জরুরিভাবে আমরা হার্টের ইকো পরীক্ষা করে তার করোনারী ভেসেল, হার্টের বিভিন্ন যে লেয়ারগুলো আমরা আলোচনা করলাম সেগুলো আক্রান্ত হয়েছে কিনা সে বিষয়ে আমরা পরিপূর্ণ ধারনা পেতে পারবো। 

এই রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি 

এই রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি বেশ ব্যয়বহুল। চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যয় বহুল হলেও এই রোগের চিকিৎসার বিকল্প কোন পদ্ধতি নাই যেটা। এই দাদী ওষুধটার নাম হচ্ছে ইন্টার ভেনাস ইমিউনোগ্লোবুলিন। এই ওষুধটি একবারই প্রযোগ করা হয় এবং এতে করে সারা জীবনের জন্য এই রোগটি তার মধ্যে থেকে ভালো হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা শতকরা ৯০ ভাগের বেশি। 

কোনও কোনও ক্ষেত্রে দেখা যায় যে এই দামী ওষুধ দেওয়ার পরেও রোগটি তার শরীরে থেকে যায়। তখন দ্বিতীয় ক্ষেত্রে কটিড স্টেরয়েড ইঞ্জেকশন এবং কিছু কিছু বায়োলজিক্যাল ওষুধ প্রচলিত আছে যেগুলো দিলে আমাদের শিশু পুরোপুরি ভাবে পরিত্রাণ পেতে পারে। চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যয় বহুল হলেও আমরা বারবার বলছি এই রোগটি আমাদের শিশুদের বাকি জীবনজুড়ে হার্টের বিভিন্ন রকম অসুবিধা ও জটিলতা নিয়ে জীবন পার করবে। তাই এই রোগটি শনাক্ত হলে আমাদের শিশুদের এই ওষুধ দিয়েই আমাদের পরিত্রাণ পেতে হবে। 

এই রোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল তার একটি সুনির্দিষ্ট সময় কাল ধরে এই রোগের জন্য ফলোআপ করতে হবে। এই ফলোআপের উদ্দেশ্য হলো এই রোগের কারনে তার হৃদযন্ত্রের কারনে কোন জটিলতা রেখে গেল কিনা সেটা পর্যবেক্ষণ করা। সেই পর্যবেক্ষণ কাল আমাদের প্রায় এক বছরজুড়ে ফলোআপ করতে হবে এবং ফলোআপ শেষে যে বিষয়টা আসবে সেটা হলো সে সম্পূর্ণভাবে ভালো হয়ে গেছে। 

এই চিকিৎসার কারণে তার প্রাত্যহিক জীবনে কোনো ব্যত্যয় হবে না, তার স্কুল, তার লেখাপড়া, খেলাধুলাই কোনো অসুবিধা হবে না। কিছু টিকা দেওয়ার ব্যাপারে প্রতিবন্ধকতা থাকে সেটা আপনার চিকিৎসকই আপনাকে অবহিত করবেন যে কি কি টিকা কতদিন পর্যন্ত দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন। এত সময় আমরা কাওয়াসাকি রোগ সম্পর্কে জানলাম। যা বর্তমানে শিশুদের হার্টের একটি অন্যতম রোগ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে এবং দিন দিন শনাক্তের হারও বাড়ছে। 

যদিও এই রোগের চিকিৎসা অত্যান্ত ব্যয় বহুল। কিন্তু এই রোগের চিকিৎসার ফলে শিশুটি হৃদযন্ত্রজনিত জটিলতা থেকে বেঁচে থাকবে এবং তার পরবর্তী জীবন সে স্বাচ্ছন্দ্যে পার করতে পারবে। সুতরাং এই রোগটি সম্পর্কে সচেতন থাকি, সতর্ক হয় এবং দ্রত শনাক্ত করতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেয়। 

সোরিয়াসিস নিয়ে আর নয় আতংক

সোরিয়াসিস নিয়ে আর নয় আতংক

 ডা. মো. মোশাররফ হোসেন
 অনলাইন ভার্সন
সোরিয়াসিস নিয়ে আর নয় আতংক

সোরিয়াসিস কাদের হয় এবং কেন হয়?

এ রোগ যে কোনো বয়সে হতে পারে তবে সাধারাণত ২৫-৩০ বছর বয়সে বেশি হয়। নারী-পুরুষ উভয়েরই হতে পারে। এটা একটা ওসসঁহড়ষড়মরপধষ উরংবধংব তবে বংশগত ইতিহাস এবং নিকট আত্মীয়দের থাকতে পারে। অতিরিক্ত মানসিক চাপে এ রোগ বাড়ে। গর্ভাবস্থায় সাধারণত এ রোগ কমে যায়। ঝঃৎবঢ়ঃড়পড়পপর জীবাণু দিয়ে গলার প্রদাহ হলে এ রোগ দেখা দিতে পারে। 

ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে এ রোগ হতে পারে বা বাড়তে পারে। যেমন-

১। ব্লাড প্রেসারের ওষুধ
২। দাউদের ওষুধ
৩। চর্বি কমার ওষুধ
৪। মানসিক রোগের ওষুধ ও অন্যান্য ওষুধ সেবন এ রোগ বাড়তে পারে।

সোরিয়াসিস রোগের লক্ষণ কী বা কীভাবে চিনবেন যে এটা সোরিয়াসিস?

এ রোগ সাধারণত মাথা বা কনুই থেকে শুরু হয় তবে যে কোন জায়গায় হতে পারে। মাথা, কনুই, হাঁটু, কোমর, নখ ইত্যাদি জায়গায় বেশি হয়। প্রথমে লালচে স্পট দেখা যায়, যার উপরিভাগে শুরু থেকেই মাছের আঁশের মতো চামড়া থাকে। আঁশতুলে নিলে সামান্য রক্তপাত হয় । সাধারণত বেশি চুলকায় না তবে রসুনের কোয়ার মতো চামড়া উঠে।

কীভাবে এ রোগ নির্ণয় করা যায়?

খুব সহজেই এ রোগ নির্ণয় করা যায়। ডাক্তার ক্লিনিক্যালি দেখেই রোগ নির্ণয় করতে পারেন। এ রোগ যে সব স্থানে হয় তার বিস্তৃতি, মাছের আঁশের মতো চামড়া, আঁশযুক্ত চামড়া সরানোর পর সহজেই এ রোগ নির্ণয় করা যায়।

সোরিয়াসিস রোগের চিকিৎসা কি?

এ রোগের আধুনিক চিকিৎসা বিদ্যমান। সময় মতো দীর্ঘমেয়াদে সঠিক চিকিৎসা নিলে রোগ নিয়ন্ত্রণে রেখে বা রোগ মুক্ত হয়ে সুস্থ জীবনযাপন করা যায়।

সোরিয়াসিস রোগে সাধারণত যে সব চিকিৎসা দেওয়া হয়

১। ক্রিম বা মলম।
২। খাবার ওষুধ।
৩। ফটোথেরাপি ও স্টেরয়েড ইনজেকশন 
৪। তৈলাক্ত মাছ ও স্থানীয়ভাবে তাপ দিলে কিছুটা উন্নতি হয়।

পরিশেষে বলব সোরিয়াসিস অন্যান্য চর্ম রোগের মতো একটি সাধারণ চর্ম রোগ। এটা ছোঁয়াচে নয় এবং এর আধুনিক চিকিৎসা বিদ্যমান।  চর্ম বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসা নিলে এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বা রোগ নিয়ন্ত্রণে রেখে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব। আসুন আমরা সাধারণ জনগণকে এ ব্যাপারে সচেতন করি এবং সুস্থ জীবনযাত্রায় সহায়তা করি। ‘সুস্থ জীবন, সুন্দর পৃথিবী’  

ঘাড় ব্যথায় সহজ ব্যায়াম

ঘাড় ব্যথায় সহজ ব্যায়াম

 ডা. এম ইয়াছিন আলী
 অনলাইন ভার্সন
ঘাড় ব্যথায় সহজ ব্যায়াম
অনেকেই আছেন হঠাৎ হঠাৎ ঘাড়ের ব্যথায় ভোগেন। কারও কারও সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ঘাড়ে ব্যথা হয়। তারা ভাবেন ঘুমানোর সময় অসাবধানতা কিংবা বালিশের কারণে এমন হয়। ঘাড় ব্যথা হলে অবহেলা না করে কিছু ব্যায়াম করতে পারেন, যেগুলো এমন ব্যথা এড়াতে দারুণ কার্যকর। 

জেনে নিন এমন কিছু ব্যায়ামের নিয়মকানুন। তবে খেয়াল রাখবেন, শরীরে কোনো ব্যথা থাকা অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে ব্যায়াম করা যাবে না।

ব্যায়াম ১

এই ব্যায়ামটি করতে পারেন বসা বা দাঁড়ানো অবস্থায়।

প্রথমে ঘাড় ও পিঠ সোজা রাখুন।
এরপর থুতনি নামিয়ে আনুন বুকের কাছাকাছি।
১৫ থেকে ৩০ সেকেন্ড এই অবস্থায় থাকুন।
এরপর ঘাড়ের পেশি শিথিল করে ধীরে ধীরে মাথা ওপরে তুলে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনুন।
এবার থুতনি ওপরের দিকে তুলুন যতটা সম্ভব। এই অবস্থায় ১০ সেকেন্ড থাকুন। এরপর আবার শুরুর অবস্থায় ফিরিয়ে আনুন।

এভাবে রোজ একবেলা নির্দিষ্ট সময়ে ১০ বার ব্যায়ামটি করুন।

ব্যায়াম ২

এই ব্যায়ামটি করতে হবে দাঁড়ানো অবস্থায়, পা দুটো সামান্য ফাঁকা রেখে। হাত দুটি দুই পাশে ঝোলানো অবস্থায় রাখতে পারেন।

ডানদিকে মাথা কাত করুন, কান দিয়ে কাঁধ ছুঁতে চেষ্টা করুন। ঘাড়ের পেশিতে টান অনুভব করা অবধি এই চেষ্টা চালিয়ে যান। তবে ঘাড় ওঠাবেন না।
৫ থেকে ১০ সেকেন্ড এই অবস্থায় থাকুন।
এবার শুরুর অবস্থায় ফিরে আসুন।
একইভাবে ব্যায়ামটি করুন বাম দিকেও।

পুরো ব্যায়ামটি ১০ বার পর্যন্ত করতে পারেন, রোজ একবেলা। ব্যায়ামটিকে আরও কার্যকর করে তুলতে যখন যে পাশে ঘাড় কাত করবেন, সেই পাশের হাতটি তুলে আনতে পারেন মাথার ওপরে, আঙুল দিয়ে হালকা চাপ দিন মাথায়।

ব্যায়াম ৩

এই ব্যায়ামটি করতে পারেন বসা কিংবা দাঁড়ানো অবস্থায়।

প্রথমে ঘাড় ও পিঠ সোজা রাখুন।
এবার ডানদিকে (নামাজে সালাম ফেরানোর মতো করে) ঘাড় ঘোরান, যতক্ষণ না ঘাড়ের পেশিতে টান অনুভব করেন।
১৫ থেকে ৩০ সেকেন্ড এই অবস্থায় থাকুন। এরপর শুরুর অবস্থায় ফিরে আসুন। একইভাবে ব্যায়ামটি করুন বামদিকে ঘাড় ঘুরিয়েও।

পুরো ব্যায়ামটি ১০ বার পর্যন্ত করতে পারেন, রোজ এক বেলা।

Saturday, April 15, 2023

মেয়েদের কেন প্যান্টি পরতে হয়?

 মেয়েদের কেন প্যান্টি পরতে হয়?

১। সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্যঃ মেয়েরা পেন্টি তাদের গোপন অঙ্গের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে।

০২। পশ্চাৎ ভাগের আকৃতি ঠিক রাখার জন্য ঃ মেয়েদের পিছনের অংশের আকার ঠিক ধরে রাখতে পেন্টি সাহায্য করে ।

৩। কোন প্রকার ময়লা বা জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত না হয় সেজন্যঃ নারিদের গোপন অঙ্গ যেন কোন প্রকার ময়লা বা জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত না হয় সেজন্যও মেয়েরা পেন্টি ইউজ করে। বাহ্যিক অনেক ময়লা জীবাণু থেকে পেন্টি মেয়েদের দূরে রাখে।

৪। পিরিয়ডের সময় প্যাড পড়ার জন্য পিরিয়ডের সময় প্যাড পড়া পেন্টি অনেক সহজ করে দেয়।

০৫। নিজের নিরাপত্তার জন্য। দুর্বল মুহূর্তে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য পেন্টি কাজ করতে পারে।

পেন্টি পড়ার উপকারিতা পেনটি পরার উপকারিতা

০১। কম্ফোরট ফিল করতে পারবেন। চলাচলের সময় অস্বস্তি বোধ করবেন না।

০২। পিছনের আকার ঠিক ভাবে ধরে রাখতে পেন্টি ইউজ করুন উপকারিতা পাবেন।

মেয়েরা পেন্টি কেন ব্যবহার করে

০৩। যেকোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটলেও নিজের সম্মান কিছুটা হলেও রক্ষা পাবেন।

০৪। দুর্বল সময়ে নিরাপত্তা পেতে পেন্টি কিছুটা হলেও সাহায্য করে।

০৫। পিরিয়ড এর সময়, ময়লা জীবাণু থেকে রক্ষা এসব এর কথা তো উপরে একবার বললাম ই । সেগুলোই পেন্টি পড়ার উপকারিতা ।

Saturday, November 19, 2022

স্তনের ঝুলে পড়া রোধে করণীয় কী?

স্তনের ঝুলে পড়া রোধে করণীয় কী?



শারীরিক গঠন ফিট না থাকলে মন খারাপ হতেই পারে। নারীর ক্ষেত্রে এই মন খারাপের কারণ হতে পারে স্তন ঝুলে যাওয়া নিয়ে। অল্প বয়সেই অনেক নারীর স্তন ঝুলে যাওয়ার সমস্যায় পড়তে হয়। এর অনেকগুলো কারণও আছে। তবে কারণ ও সমাধান জানা থাকলে এর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।



স্তন ঝুলে যাওয়ার কারণ:শরীরের গঠনের তারতম্যের কারণে স্তন ঝুলে যেতে পারে। শরীর মোটা থেকে চিকন বা চিকন থেকে মোটা হওয়ার কারণে স্তন ঝুলে যেতে পারে। অনেক সময় অতিরিক্ত ব্যয়ামও স্তন ঝুলে যাওয়ার একটি কারণ।

সন্তান জন্মদানের কারণে অর্থাৎ প্রসূতিকালীন স্তনের আকার বড় হয়ে যাওয়ার কারণে স্তন ঝুলে যায়। আবার স্তন অতিরিক্ত বড় ও ভারী হওয়ার কারণেও ঝুলে যেতে পারে।

বয়সের কারণে স্বাভাবিকভাবেই স্তন ঝুলে যায়। অপ্রতুল স্তন-সার্পোটের কারণেও স্তন ঝুলে যায়। ধূমপানের চামড়ার স্থিতিস্থাপকতা দুর্বল করে দেয় যা স্তন ঝুলে যেতে সাহায্য করে।

মেডিসিন:-

1)

ডোজ:-10 ফোটা 1/2 কাপ জলসহ। (কাঁচের গ্লাস /চিনামাটির কাপে খাবেন) দিনে দুইবার । (3–6 মাস )

ব্যাহিক প্রয়োগ :- নারকেল তেল পরিমান মতো + sabal serrulata-Q পরিমান মতো (নারকেল তেল 20 ড্রপ + মেডিসিন 10 ড্রপ)।

=} রাত্রে ব্রেস্টে মালিশ করে , টাইট ড্রেস পরে ঘুমাতে হবে।

—————————————————————————————

2)

ডোজ:- দুই চামচ করে দিনে তিনবার। (6 মাস)

সকালে দুটো ডিম সেদ্ধ খেতে হবে।

—————————————————————————

যদি ঝুলে গিয়েই থাকে, তাহল তাকে ফিট রাখার উপায়ও আছে। জেনে নিন কয়েকটি উপায়:

সঠিক ব্রা ব্যবহার: আপনি অবশ্যই এমন ব্রা পরুন যা আপনার স্তনকে সম্পুর্ন সাপোর্ট দেয়। লক্ষ রাখতে হবে আপনার ব্রা অবশ্যই আপনার সাথে সাবলীল ভাবে চলতে পারে- অর্থাৎ চলার সময় আপনার ব্রা লেইস যেন কাঁধ থেকে খসে না পড়ে অথবা বন্ধনি অতিরিক্ত টাইট কিংবা অতিরিক্ত লুজ না হয়। যখন ব্রা সাইজ নেবার জন্য মাপতে যাবেন, অবশ্যই খেয়াল রাখবেন আপনার পুরাতন ব্রা পরনে থাকতে হবে এবং সে অবস্থায় স্তনের ঠিক নিচে মাপ নিচ্ছেন। এছাড়া কিছু ব্যায়ামও করতে পারেন-

মেডিসিন বল স্ল্যাম: দু’হাতে একটা মেডিসিন বলকে ধরুন। মাথার ওপরে বলটা ধরে তুলুন। হাঁটু সামান্য ভাঁজ করতে পারেন। এবার বলটাকে যত জোরে সম্ভব মাটিতে আছড়ে ফেলুন। আবার তুলে তিনটে সেটে করে মোট তিনবার করুন। আপনি বলটাকে যখন মাটিতে আছড়ে ফেলবেন,তখনই কিন্তু আপনার বুকের ব্যায়াম হয়। যত জোরে আছড়ে ফেলবেন,ততই বেশি আপনার পেশী কাজ করবে। তাই বুকের পেশীকে টোন করতে এই ব্যায়ামটা করেই ফেলুন নিয়ম করে।

পুশ আপস: ঝুলে যাওয়া স্তনকে আবার তার টোনড শেপে ফিরিয়ে আনতে পুশ আপস কিন্তু বেশ কার্যকরী। উপুড় হয়ে সোজা হয়ে শোন। হাত দুটো বগলের পাশে ভাঁজ করে রাখুন। পেটটা টান করে রাখবেন। এবার হাতের ওপর ভর দিয়ে পুশ আপস করুন। যতবার পারেন,ততবারই করবেন। নিয়ম করে করুন। আপনার স্তনকে টোনড করতে শুধু নয়, কাঁধের পেশীকে শক্তিশালী করতেও এই পুশ আপস দারুণ কাজ দেয়।বাড়িতে বসে খুব সহজেই করতে পারবেন।

ট্রাইসেপ ডিপস: একটা বেঞ্চে বসে হাত দুটো আপনার পাশে রাখুন। পা ছড়িয়ে টান করে রাখুন। এবার হাতদুটো আগের জায়গাতেই রেখে বেঞ্চ থেকে নিজেকে তুলুন। আস্তে আস্তে কনুই ভাঁজ করে নিজেকে মেঝের কাছে নিয়ে যান। এভাবে যতক্ষণ পারবেন করুন। আস্তে আস্তে সময় বাড়াবেন। এভাবে নিয়মিত করবেন। এই ব্যায়াম আপনার ট্রাইসেপের ওপর জোর দিলেও বুকের পেশী আর হাতের মাসলকেও কিন্তু টোনড রাখতে সাহায্য করে। আর বাড়িতে করাও খুব সোজা।

ডাম্বেল ফ্লাইস: সোজা হয়ে শুয়ে পরুন। এবার হাতদুটোকে কনুই ভাঁজ করে বুকের কাছে এনে রাখুন। দু’হাতে দুটো ডাম্বেল যেন থাকে। বেশি ওজন তোলার দরকার নেই। হাঁটু ভাঁজ করে রাখবেন। এবার হাতদুটো ছড়িয়ে সোজা করে আস্তে করে খুলুন। আবার আগের ভাঁজ করা অবস্থায় আনুন। এভাবে যতক্ষণ পারবেন করুন। বুকের পেশীকে টান করে ঝোলা স্তনকে নিজের শেপে ফিরিয়ে আনতে এই ব্যায়াম ট্রাই করুন।

মেডিসিন বল পুশ আপস: পুশ আপ পোজিশনে শোন। তবে এবার মাটিতে হাত রাখার বদলে হাত দুটো একটা মেডিসিন বলের ওপরে রাখুন। এবার পুশ আপ করতে শুরু করুন। একটা হাত মাটিতে আর একটা হাত বলের ওপরে আধা মিটার দূরত্বে রেখে পুশ আপ করুন। ১০-২০ বার করে তিনটি বা চারটি সেটে কমপ্লিট করুন। নিয়ম করে করবেন। ঝুলে যাওয়া স্তনকে টোনড অ্যান্ড ফিট করার জন্য এটি পারফেক্ট ব্যায়াম। আর ঘরে বসেই সহজে করতে পারবেন। তাহলে এবার দেরি না করে আজ থেকেই শুরু করুন নিজেকে পারফেক্ট শেপে ফিরিয়ে আনার অভিযান।

Saturday, September 24, 2022

মাথার চুল ঘন করার বা নতুন চুল গজানোর মতো কোনো উপায় আছে কি

মাথার চুল ঘন করার বা নতুন চুল গজানোর মতো কোনো উপায় আছে কি

ভিটামিন ই কেপসুল খেতে পারেন। এটি বয়সভেদে 200mg আর 400 mg হয়। আপনি প্রতি রাতে একটি করে

1.cap :E-cap 200mg (0+0+1)

3 মাস খেতে পারেন।

আর একটি লিকুইড আছে ,,

এটি ব্যাবহার করতে পারেন। এটি square বা অন্যান্য company এর আছে। এটি fermecy তে অর্ডার দিয়ে নি তে হবে।

Sunday, September 4, 2022

কোন মেয়েদের সেক্স চাহিদা বেশি

 কোন মেয়েদের সেক্স চাহিদা বেশি

নারী পুরুষ যৌনতার ব্যাপার সবসময়ই অতিরঞ্জিত একটা ব্যাপার। এই ব্যাপারে মতামতও মানুষের ভিন্ন। যৌনতার ক্ষেত্রে কখনও এরকমও শোনা যায় যে নারীদের যৌন আকাঙ্খা পুরুষদের থেকে অনেক গুণ বেশি। আবার কখনও এটাকে ভুল প্রমাণ করেও দেখানো হয়ে থাকে। কিন্তু এসব ছাড়াও যৌনতার ইতিহাস আজ থেকে নয় সেই আদিম থেকেই চলে আসছে এর ধারা। আর এখনও পর্যন্ত সারা বিশ্বব্যাপী চলছে সুস্থ এবং স্বাভাবিক যৌনতা।

তবে, একটা কথা মাথায় রাখা দরকার যে যৌনতা সবসময় স্বেচ্ছায় সংঘঠিত মিলন। এরূপ অন্যথা হলে সেটা আর যাইহোক সুস্থ যৌন সম্পর্ক একেবারেই নয়। ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো নারী কোনো পুরুষের সাথে কিংবা কোনো পুরুষ কোনো নারীর সাথে যৌনতায় লিপ্ত হতে পারেননা। আর এর পাশাপাশি এটাও স্বাভাবিক যে সবার যৌন বাসনা বা আগ্রহ এক হয়না।

নারীদের কথাতেই যদি এক্ষেত্রে আসা যায় তবো দেখা যায় যে যৌনতা প্রসঙ্গে প্রত্যেক নারীর ইচ্ছে সমান হয়ে থাকেনা। কোনো কোনো নারী অত্যাধিক যৌন কাতর হয়ে থাকেন। আবার পুরুষদের ক্ষেত্রেও, কোনো কোনো পুরুষের যৌন ইচ্ছা থাকে বেশি অর্থাৎ যৌনতার ব্যাপারে তাদের আগ্রহ এবং যৌন মিলনের ইচ্ছা থাকে ব্যাপক।

আবার কোনো কোনো নারী-পুরুষ সুস্থ যৌনতার পক্ষপাতি এবং তারা প্রয়োজন মাফিক যৌন মিলন পছন্দ করে। আবার কিছু কিছু নারী-পুরুষ যৌ’নতাকে খুবই কম মাত্রায় পছন্দ করে। অনেকের এ ব্যাপারে ভীতিও থাকে। যৌ’নতার ব্যাপার বিশেষ করে নারী, পুরুষের যৌ’নতার ব্যাপারে উৎসাহ এবং আগ্রহ যদি না থাকে তবে চরম পুলক আসতে পারে না।

নারীদের যৌনইচ্ছার সময়সীমা : ১. মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌ’নইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌ’ন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এরপরে ভালই কমে যায়।২. ২৫ এর উর্দ্ধে মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌ’নকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌনকর্মের চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীরভাগ নারীরা গল্পগুজব হৈ হুল্লোড় করে যৌ’নকর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়।৪. মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে।৫. ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য যৌনকর্মের কোন দরকার নেই।৬. শারীরিক মিলনে নারীরা উত্তেজিত আর আনন্দিত হন ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম।

Tuesday, May 24, 2022

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে যেসব খাবার

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে যেসব খাবার

শরীরে অগ্ন্যাশয় যদি যথার্থ ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা শরীরে ইনসুলিনের সঠিক কাজ ব্যাহত হয় তাহলে তাকে ডায়াবেটিস বলা হয়। এ রোগে আক্রান্তদের ঘন ঘন প্রস্রাব হয়; অধিক তৃষ্ণার্ত অনুভব করে এবং বারবার মুখ শুকিয়ে যায়। আক্রান্তরা অতিশয় দুর্বলতা, সার্বক্ষণিক ক্ষুধা, স্বল্পসময়ে দেহের ওজন হ্রাস, চোখে ঝাপসা দেখাসহ নানা সমস্যায় ভোগে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়ক কয়েকটি খাবার নিয়ে আলোচনা করা হলো।

সবুজ চা : সবুজ চা মানুষের শরীরে ইনসুলিনের মতো কাজ করে; ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ওয়াইল্ড স্যামন : ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অন্যতম একটি ঔষধী খাদ্য ওয়াইল্ড স্যামন। এতে উচ্চমাত্রায় ওমেগা-৩ রয়েছে। ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি বড় উৎস এটি। ডায়াবেটিসের পাশাপাশি কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁঁকিও কমায় ওয়াইল্ড স্যামন।

মাছ : গবেষণায় দেখা যায় মাছের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি গ্লুকোজের ঘনত্ব কমিয়ে ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি হ্রাসে সহায়তা করে। এতে চর্বিহীন প্রোটিন রয়েছে।

ডিমের সাদা অংশ : ডিম পেশি গঠনকারী খাদ্য। এতে উচ্চমানের প্রোটিন রয়েছে। ডিমের সাদা অংশে উচ্চমানের চর্বিহীন প্রোটিন ও কম মাত্রায় কার্বোহাইড্রেট রয়েছে যা দুই ধরনের ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

লেবু : লেবু ও লেবুজাতীয় ফল ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে ভিটামিন সির অভাবে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রয়েছে। তবে লেবুজাতীয় ফল খেলে ভিটামিন সির অভাব পূরণ হয়। জাম্বুরা, কমলা, লেবু ও লাইমস ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিনের মতো কাজ করে।

সবুজ শাকসবজি : সবুজ শাকসবজি দুই ধরনের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়। পালং শাক, পাতাকপি, শালগম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লেটুসপাতা ইত্যাদি খাবারে ক্যালরি ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কম। গবেষণায় বলা হয়, সবুজ শাকসবজি খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে

ডায়াবেটিস : রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে করণীয়

ডায়াবেটিস : রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে করণীয়

ডায়াবেটিস : রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে করণীয়

প্রতীকী ছবি

অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার কারণে জীবনে থাবা বসায় ডায়াবেটিস। অতএব সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাত্রাই পারে টাইপ-২ ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণ করতে। যে কোনও বয়সের ব্যক্তিই এখন আক্রান্ত হচ্ছেন ডায়াবেটিসে। যদিও ছোটরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়, যেখানে শরীর নিজে থেকে ইনসুলিন উৎপাদন তৈরি করতে পারে না। অন্যদিকে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের জন্য দায়ী অস্বাস্থ্যকর জীবনধারা। 

সুস্থ জীবনযাত্রার প্রধান শর্ত হলো- শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী ক্যালোরি মেপে খাওয়া। এক কথায় ডায়েটে নিয়ন্ত্রণ। আর দ্বিতীয়টা হল নিয়মিত যোগব্যায়াম করা। বাধা ধরা নিয়মের বাইরে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না এখানে। সুস্থ থাকতে গেলে, রোগকে দূরে রাখতে হলে এই দুইটি শর্ত আপনাকে মেনে চলতেই হবে। সাধারণত ওষুধ খেয়ে ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। কিন্তু লাইফস্টাইল মেনে না চললেই বিপদ।

ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে ডায়েটের দিকে নজর দিতে হবে। কিন্তু আলাদা করে কোনও খাবার খাওয়ার দরকার নেই। দৈহিক উচ্চতা অনুযায়ী শারীরিক ওজন ঠিক থাকলে ভাত, রুটি, সবজি, মাছ অর্থাৎ সুষম খাবার খেলেই চলবে। বেশি পরিমাণে সবুজ শাকসবজি খান। সুতরাং ব্রেকফাস্ট-লাঞ্চ-ডিনারে সবজি বাদ দেবেন না। সবজিতে ক্যালোরির পরিমাণ থাকে অল্প। ফলে শরীরে ক্যালোরি কম ঢোকে। এছাড়া পেটও ভর্তি থাকে। উপরন্ত এমন ফল ও সবজি খান যেটায় শর্করার ভাগ কম এবং ফাইবারের পরিমাণ বেশি। মৌসুমি ফল ও সবজির সাহায্য নিতে পারেন এই ক্ষেত্রে। এর পাশাপাশি প্রসেস ফুড এবং ফাস্ট ফুড খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

ব্যস্ত জীবনযাত্রায় আলাদা করে ব্যায়াম করার সময় নেই। অনেকের আবার জিমে যাওয়ার সময় নেই। যদিও ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে এত কিছু করার প্রয়োজন পড়ে না। যাদের বাড়িতে হাঁটার উপযোগী ছাদ আছে তারা সেখানেই হাঁটুন। কতক্ষণ হাঁটবেন? ৪৫ মিনিট। এছাড়া বাড়িতে কোনও একটা জায়গায় দাঁড়িয়ে ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করতে পারেন। এমনকি এক জায়গায় দাঁড়িয়ে ডান পা, বাম পা ওপরে তুলে-নামিয়েও এক্সারসাইজ করা যায়। ঘাম ঝরানো যায় ওঠ-বোসের মতো এক্সারসাইজের সাহায্যেও। যাদের হাঁটুতে সমস্যা আছে তারা দেহের ওপরের অংশের ব্যায়াম করতে পারেন। মনে রাখবেন, সব মিলিয়ে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট এক্সারসাইজ করলে ভাল হয়। সকাল এবং বিকেল-  দুইবেলা সময় ভাগ করে এক্সারসাইজ করলেও উপকার পাবেন।

ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন বদহজমের সমস্যা

ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন বদহজমের সমস্যা

ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন বদহজমের সমস্যা

খাবার বদহজম হলে শারীরিক অস্বস্তি, পেটে ব্যথা, জ্বলন ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি বমির মত উপসর্গও দেখা দেয়। অনেকেই এই ভয়ে অনেক ধরনের খাবার এড়িয়ে চলেন। তাই আপনার জন্য রইল ঘরোয়া প্রতিকার, যা আপনাকে বদহজমের সমস্যা থেকে দ্রুত আরাম দেবে।

বেকিং সোডা- বেকিং সোডার মধ্যে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট রয়েছে যা পেটের অ্যাসিডকে নিষ্ক্রিয় করতে সহায়তা করে। পানির সঙ্গে বেকিং সোডা মধু এবং লেবুর রস দিয়ে পান করলে আপনি বদহজমের সমস্যা থেকে রক্ষা পাবেন।

আদা- আদায় জিঞ্জারোলসহ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা বদহজম এবং বমি বমি ভাব উপশম করার জন্য পরিচিত। এর ফেনোলিক যৌগগুলো গ্যাস্ট্রিক সংকোচন হ্রাস করে এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল জ্বালা উপশম করে।

ধনিয়ার বীজ- ধনিয়ার বীজ অ্যান্টিস্প্যাসমোডিক এবং বিরোধী প্রদাহজনক বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত যা আপনাকে পেট খারাপ বা বদহজম থেকে মুক্তি দেয়, আপনার হজম প্রক্রিয়াকে আরও উদ্দীপিত করে।

মৌরি- পেটের সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করে মৌরি। মৌরি পানিতে ভিজিয়ে এবং চিবিয়ে খেতে পারেন।

আমলকী- আমলকীর মধ্যে বিভিন্ন অ্যাফ্রোডিসিয়াক, মূত্রবর্ধক, জোলাপ, কার্মিনেটিভ, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো আপনার হজম প্রক্রিয়াকে উদ্দীপিত করতে সহায়তা করে, বদহজম, অম্বল বা অম্লতাকে নিরাময় করে।

অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার- অ্যাপেল সাইডার ভিনিগারে ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য খনিজ পদার্থের একটি চমৎকার উৎস যা হজমে সহায়তা করে। এক গ্লাস পানিতে মধুর সঙ্গে অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার পান করতে পারেন।

নখ, ত্বক, চুলের যেসব পরিবর্তন জানান দেবে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা

নখ, ত্বক, চুলের যেসব পরিবর্তন জানান দেবে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা

নখ, ত্বক, চুলের যেসব পরিবর্তন জানান দেবে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা

প্রতীকী ছবি

উচ্চমাত্রার স্ট্রেস, স্থূলত্ব, খারাপ জীবনশৈলী ও নিম্নমানের খাদ্যাভ্যাসের কারণে বর্তমানে তরুণ-তরুণীর মধ্যেও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ মূলত লাইফস্টাইল ডিজিজ। ফলে উচ্চ রক্তচাপ থাকার অর্থ অন্যান্য শারীরিক সমস্যার আশঙ্কাও বেড়ে যাওয়া। উদাহরণ হিসেবে করোনারি আর্টারি ডিজিজ, স্ট্রোক, হার্ট ফেলিওর, আট্রিয়াল ফিব্রিলেশন, দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পাওয়া, ক্রনিক কিডনি ডিজিজ, এবং ডিমেনশিয়ার কথা বলা যায়।

মুশকিল হলো- একজন সাধারণ মানুষ কীভাবে বুঝবেন যে তিনি ইতিমধ্যেই হাইপারটেনশনের মতো সমস্যায় আক্রান্ত? কিছু সমীক্ষা থেকে জানা যাচ্ছে, একজন ব্যক্তির ত্বক, নখ, চুলের অবস্থা দেখেও কিন্তু ওই মানুষটি উচ্চ রক্তচাপের সম্পর্কে আগাম আভাস করতে পারেন। 

উচ্চ রক্তচাপ একদিনে হয় না। দিনের পর দিন অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ফলশ্রুতি হল হাইপারটেনশন। ফলে অনেকক্ষেত্রেই ধীরে ধীরে চুল, ত্বক ও নখের স্বাস্থ্যে বিশেষ কুপ্রভাব ফেলতে পারে হাইপারটেনশন। এক সংস্থার করা দীর্ঘদিনের স্টাডি অনুসারে, উচ্চ রক্তচাপ ও ত্বকের বলিরেখার মধ্যে যথেষ্ট সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে ৪০ থেকে ৪৯ বছর বয়সি নারীদের মধ্যে এই ধরনের সম্পর্কের সত্যতা পাওয়া গেছে।

রক্তে উচ্চমাত্রায় কোলেস্টেরলের উপস্থিতি হার্টের নানা আর্টারিকে অনমনীয় করে দেয় যা রক্তে এবং অন্যান্য অঙ্গে যথেষ্ট মাত্রায় অক্সিজেন পৌঁছনোর ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। বিশেষ করে শরীরের সবচাইতে বড় অঙ্গ ত্বকেও রক্ত সঞ্চালনের ক্ষেত্রে বিশেষ সমস্যা তৈরি হতে পারে। ত্বকে সঠিক মাত্রায় রক্ত না পৌঁছলে, স্কিন দ্রুত শুষ্ক হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। বলিরেখাও পড়ে দ্রুত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নারীদের ক্ষেত্রে সামগ্রিক যৌবনময় উপস্থিতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে পুরুষের ক্ষেত্রে তাদের মুখে বিশেষভাবে প্রভাব ফেলে উচ্চ রক্তচাপ। তবে ত্বক ছাড়াও চুল এবং নখেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে উচ্চ রক্তচাপ।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, চুল ঝরে যাওয়াও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করতে পারে। গবেষকরা উচ্চ রক্তচাপ ও চুল পড়ার মধ্যে বিশেষ যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন। তাদের তত্ত্ব অনুসারে উচ্চ রক্তচাপের কারণে চুলের গোড়ায় রক্তপ্রবাহ কমে যায়। ফলে চুল ঝরতে থাকে। এমনকী পড়তে পারে টাকও। প্রজননক্ষম বয়সে নারীদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা প্রায়ই ধরা পড়ে। আবার রেনিন-অ্যাঞ্জিওটেনসিন-অ্যালডোস্টেরন সিস্টেম (ব্লাড প্রেশারের নিয়ন্ত্রক) এর সঙ্গে হাইপারটেনশনের বিশেষ যোগ রয়েছে যা নারীদের মধ্যে ফাইব্রোসিস এর সমস্যা তৈরি করে যা চুল ঝরার মতো সমস্যাও তৈরির জন্য দায়ী।

অন্যদিকে কিছু কিছু স্টাডি ও বিশেষজ্ঞদের মত অনুসারে, মাঝের আঙুলের নখের গোড়ায় সাদা অংশের অনুপস্থিতি উচ্চ রক্তচাপের দিকে ইঙ্গিত করে। নখের গোড়ায় কিউটিকলের ঠিক উপরে থাকে এমন অর্ধচন্দ্রাকার লুনুলা। এমনকি ভগ্ন স্বাস্থ্য, রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা কমে যাওয়ার দিকেও নির্দেশ করে নখের গোড়ায় সাদা অংশের অনুপস্থিতি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপরিউক্ত উপসর্গগুলি দেখলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, ব্লাড প্রেশার চেক করান। এছাড়া ডায়েটের প্রতি বিশেষ নজর দিন। বিশেষ করে লবণ খাওয়া কমান। খাবারে কাঁচা লবণ খাওয়া চলবে না। চলবে না রান্নায় বেশি লবণের ব্যবহার। মাখন, চিজ যথাসম্ভব কম খেতে হবে। এড়িয়ে চলতে হবে দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্য। স্ট্রেস লেভেল কম করার জন্য চা এবং কফি যথাসম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো। এছাড়া প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট এক্সারসাইজ করতেই হবে। কিছু না পারলে ঘাম ঝরিয়ে হাঁটতে হবে। এক্সারসাইজ ব্লাড প্রেশার কমাতে সাহায্য করে।

যন্ত্রণাদায়ক স্মলপক্স ও মাঙ্কিপক্সের মধ্যে যে পার্থক্য

যন্ত্রণাদায়ক স্মলপক্স ও মাঙ্কিপক্সের মধ্যে যে পার্থক্য

যন্ত্রণাদায়ক স্মলপক্স ও মাঙ্কিপক্সের মধ্যে যে পার্থক্য

বিশ্বজুড়ে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তের খবর মিলছে। ইউরোপের দেশগুলোতে এর প্রভাব বেশি দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে আমেরিকা থেকে অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে এই মাঙ্কিপক্স। এই রোগের মূল উৎস আফ্রিকায় খুঁজে পাওয়া গেলেও তা এবার ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে।

স্মলপক্স ও মাঙ্কিপক্সের মধ্যে মিল

ভারতের বিশিষ্ট চিকিৎসক সুলেমান লাধানি বলেছেন, স্মলপক্সের মতো অতটা তীব্র নয় মাঙ্কিপক্স। যদি দুটি রোগই অর্থপক্সের মতো ভাইরাসের এক একটি ধরন থেকে শরীরে দানা বাঁধে। মূলত আফ্রিকায় এই মাঙ্কিপক্স দেখা যায়। তবে আফ্রিকার বৃষ্টিঅরণ্যে এর মূল উৎস। স্মলপক্সের মতোই মাথার যন্ত্রণা, ব়্যাশ, জ্বর দিয়ে শুরু হয় এই পক্স।

স্মলপক্স ও মাঙ্কিপক্সের মধ্যে পার্থক্য

মাঙ্কিপক্সের ফলে গ্ল্যান্ড বা লিম্ফ নোড বড় হওয়ার প্রবণতা থাকে। দুটি ক্ষেত্রেই সঙ্গে থাকে জ্বর। যদিও মাঙ্কিপক্সের মৃত্যুর হার ১০ শতাংশ, তবুও এই রোগে সচেতন থাকা প্রয়োজন। বলা হচ্ছে মাঙ্কিপক্স আসতে পারে পশু থেকে। ইঁদুর, কাঠবেড়ালির ত্বক বা তাদের আঁচড় থেকে এই পক্স হতে পারে। এ ছাড়া এই প্রাণীগুলোর রক্ত থেকে এই সমস্যা দানা বাঁধতে পারে। তবে যদি সেই প্রাণী নিজে এই রোগে আক্রান্ত থাকে, তবেই প্রাণী থেকে এই রোগ ছড়াতে পারে।

কীভাবে ছড়াচ্ছে মাঙ্কিপক্স?

মাঙ্কিপক্স আক্রান্তের সর্দি, কাশি থেকে এই রোগ ছড়িয়ে যায়। আক্রান্তের সঙ্গে অনেকক্ষণ মুখোমুখী কথা বললে এই রোগ ছড়িয়ে যেতে পারে। যৌন মিলন থেকেও এই রোগ ছড়াতে পারে। এ ছাড়া এমন কোনো জিনিস, বা পোশাক, ভাইরাস আক্রান্তের রক্ত থেকে ছড়িয়ে যায় এই রোগ।

কীভাবে সেরে যায় এই রোগ?

চিকিৎসক চিকিৎসক লাধানি বলেন, ২ সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায় মাঙ্কিপক্স। এটি নিজে থেকেই সেরে ওঠে বেশিরভাগ সময়। তবে প্রয়োজনে ওষুধের দরকার পড়ে। অল্প থাকতেই বা লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসায় সেরে ওঠে মাঙ্কিপক্স।

Tuesday, November 30, 2021

যেসব উপকার রয়েছে পালং শাকে

যেসব উপকার রয়েছে পালং শাকে

যেসব উপকার রয়েছে পালং শাকে

শীত আসতেই বাজারে উঠেছে পালং শাক। এই সময়ে কথায় কথায় বাঙালি বাড়ির দুপুরে ও রাতের খাবারে থাকে পালং শাকের নানা পদ। বিশেষ করে বেগুন, কুমড়ো দিয়ে মরিচ ঝোল তো মাঝেমধ্যেই হয়ে থাকে। কিন্তু প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন এ এবং সি যুক্ত এই শাক রোজ রোজ খেতে ইচ্ছা হয় না অনেকেরই।

সে কারণেই জানা দরকার, কত দিক দিয়ে শরীরের যত্ন নিতে পারে এই শাক। নিয়মিত পালং শাক খেলে বেশ কয়েকটি কঠিন রোগ থেকে মুক্ত রাখা যায় নিজেকে। কোন কোন রোগ দূরে থাকে পালং শাক খেলে?

১) বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পালং শাকে উপস্থিত আছে নানা ধরনের অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। তা শরীরকে ক্যানসারমুক্ত রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে প্রস্টেট ক্যানসার রোধে এই শাক খুবই কার্যকর।

২) উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন? তা-ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এই শাকের বিভিন্ন উপাদান।

৩) সর্দি-কাশি লেগেই থাকে? শীতকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিশেষভাবে নজর দিতে হয় শরীরের দিকে। এতে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট খুবই ভাল ভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে।

৪) পালং শাকে রয়েছে লুটিন আর কেরোটিনয়েড। দৃষ্টিশক্তির উন্নতি করতে এই দু’টি উপাদান খুবই কার্যকর।

৫) হিমোগ্লোবিন কমে গেলেও সাহায্য করতে পারে পালং শাক। পালং শাকে উপস্থিত ফোলেট খুবই দ্রুত বাড়াতে পারে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা।

যেভাবে বুঝবেন শরীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল

যেভাবে বুঝবেন শরীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল

যেভাবে বুঝবেন শরীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল

ক্ষতিকর প্যাথোজেন ও অন্যান্য পরিবেশগত সমস্যা থেকে শরীরকে রক্ষা করতে ইমিউন সিস্টেম সাহায্য করে। সংক্রামক ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। একজন ব্যক্তির ইমিউনিটি সিস্টেম দুর্বল হওয়ার পিছনে রয়েছে কিছু গুরুতর অসুস্থতা। 

ধূমপান, অ্যালকোহল পান করা, দুর্বল পুষ্টি, মানসিক চাপ, স্থূলতা, বার্ধক্য, এইচআইভি, ডায়াবেটিস, ক্যানসার বা করোনাভাইরাসে মতো চিকিত্‍সা পরিস্থিতিতে বা স্টেরয়েড, কেমোথেরাপির মতো ওষুধ খেলে ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে যায়। ইমিউন সিস্টেম যে দুর্বল তার উপসর্গগুলি কী কী-

ঘন ঘন ঠান্ডা লাগা ও অন্যান্য সংক্রমণ- প্রাপ্তবয়স্কদের বছরে ২ থেকে ৩বার সর্দি বা সংক্রমণজনিত রোগ বাধে। সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে আবার সেরেও ওঠে। এমনটা যদিও স্বাভাবিক ঘটনা। তবে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের মধ্যে বারবার ঠান্ডা লেগে সর্দি ও কাশি হওয়া, অন্যান্য সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

হজমের সমস্যা- অনেক বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন যে, বেশিরভাগ রোগের মূলে রয়েছে দুর্বল পাচনতন্ত্র। দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের লক্ষণ ও উপসর্গ এবং হজমের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে ঘন ঘন ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফোলাভাব ইত্যাদি।

ক্ষত নিরাময় হতে বিলম্ব হওয়া- ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হলে ক্ষত, প্রদাহ, আঘাত বা অস্ত্রোপচারের পরে শ্রতগুলি আরোগ্য হতে বেশি সময় নেয়। সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।

সহজেই ক্লান্তি বোধ করা- দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকলে ক্লান্তি বোধ করা স্বাভাবিক। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল তাদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া দরকার। তবে বিশ্রাম নেওয়ার পরও যাদের অলস ভাব বা ক্লান্তিভাব দেখা যায়, তাদের চিকিত্‍সকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়া উচিত।

ত্বকের সংক্রমণ- ত্বক হল শরীরের একটি প্রাচীর। দুর্বল ইমিউন সিস্টেম ত্বকের বাধাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। যার ফলে ঘন ঘন ত্বকে ফুসকুড়ি, জ্বালাভাব, সংক্রমণ বা শুষ্ক ত্বক হয়।

ব্লাড ডিসঅর্ডার এবং ব্লাড ক্যান্সার- কিছু রক্তের ব্যাধি দুর্বল ইমিউন সিস্টেমকে নির্দেশ করে, যেমন অ্যানিমিয়া, হিমোফিলিয়া (রক্তক্ষরণ ব্যাধি), রক্ত ​​জমাট বাঁধা এবং রক্তের ক্যান্সার (লিউকেমিয়া, লিম্ফোমা এবং মাইলোমা)।

এছাড়া অঙ্গের প্রদাহ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে। আঘাত, টক্সিন, প্যাথোজেন, ট্রমা, তাপ ইত্যাদির কারণে অঙ্গ প্রদাহ হতে পারে। শরীরের টিস্যুতে যে কোন আঘাতের ফলে প্রদাহ হয় তা দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের লক্ষণ।

Wednesday, July 7, 2021

That bad habit is harmful effects on the brain

That bad habit is harmful effects on the brain

That bad habit is harmful to the brain

It is very important to keep the brain healthy. And some special care and precautions are necessary to maintain good brain health. But unknowingly, we ourselves are harming the health of the brain by doing innumerable wrong deeds every day.

Seven Bad Habits Harmful To The Brain- 

1. Forget / miss breakfast
Sleeping late at night
3. Eating extra sweet national food
4.
more sleep in the morning.
watching TV or computer while eatingSleeping after cap/scarf or socks
6. Deliberately withholding/stopping urination

The nutritional Benefits of Tomatoes

The nutritional Benefits of Tomatoes

Tomatoes are the major dietary source of the antioxidant lycopene, which has been linked to many health benefits, including reduced risk of heart disease and cancer. They are also a great source of vitamin C, potassium, folate, and vitamin K.


The nutritional value of tomatoes

Nutrition Facts Benefits of Tomatoes

If mango is the king of fruits, then tomato must be called the king of vegetables. Just as tomatoes can stave off heart problems, they can also stave off diabetes and kidney problems. The lycopene in tomatoes greatly reduces the risk of prostate, colorectal, or stomach cancer. Natural anti-oxidants can stop the growth of cancer cells. Cooked tomatoes are more beneficial than raw tomatoes. So eat tomato soup as much as you can, use tomatoes in cooking. Vitamin B and potassium in tomatoes reduce blood cholesterol levels and control blood pressure. Having tomatoes in your daily diet reduces the risk of heart attack, stroke, and other heart problems. You can eat tomatoes to keep your kidneys healthy. Chromium and other minerals in tomatoes control blood sugar levels. Tomatoes contain enough calcium and vitamin K. Tomatoes are essential for maintaining bone tissue and eliminating minor problems.

Eye Problems: The role of tomatoes in improving eyesight is immense. So put tomatoes in children's diet. The comoric acid and chlorogenic acid in tomatoes can reduce the effects of smoking on the body. Tomatoes are rich in vitamins 'A' and 'C'. Vitamin A and beta carotene act as anti-oxidants that control the presence of harmful chemicals in the blood.

These chemicals floating in the blood are extremely harmful to the body. The redder the tomato, the higher the amount of beta carotene. However, cooking destroys vitamin C, so eat as many raw tomatoes as you can. Tomatoes are a key ingredient in many facials because they contain a lot of lycopene. Tomato removes dark spots on the skin and also enhances radiance. If you want to use tomatoes at home, peel 10-12 tomatoes. Cover the whole face with that peel for at least 10 minutes. Then rinse. The skin will look clean and radiant.

নবজাতকের যত্ন

নবজাতকের যত্ন   অধ্যাপক ডা. শাহীন আক্তার  অনলাইন ভার্সন নবজাতক শিশু একটি পরিবারের আনন্দের বার্তাবাহক! নবজাতকের সঠিক যত্ন নিশ্চিত করা অত্যন্ত...

Contact Form

Name

Email *

Message *