Translate

Tuesday, November 30, 2021

যেসব উপকার রয়েছে পালং শাকে

যেসব উপকার রয়েছে পালং শাকে

যেসব উপকার রয়েছে পালং শাকে

শীত আসতেই বাজারে উঠেছে পালং শাক। এই সময়ে কথায় কথায় বাঙালি বাড়ির দুপুরে ও রাতের খাবারে থাকে পালং শাকের নানা পদ। বিশেষ করে বেগুন, কুমড়ো দিয়ে মরিচ ঝোল তো মাঝেমধ্যেই হয়ে থাকে। কিন্তু প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন এ এবং সি যুক্ত এই শাক রোজ রোজ খেতে ইচ্ছা হয় না অনেকেরই।

সে কারণেই জানা দরকার, কত দিক দিয়ে শরীরের যত্ন নিতে পারে এই শাক। নিয়মিত পালং শাক খেলে বেশ কয়েকটি কঠিন রোগ থেকে মুক্ত রাখা যায় নিজেকে। কোন কোন রোগ দূরে থাকে পালং শাক খেলে?

১) বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পালং শাকে উপস্থিত আছে নানা ধরনের অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। তা শরীরকে ক্যানসারমুক্ত রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে প্রস্টেট ক্যানসার রোধে এই শাক খুবই কার্যকর।

২) উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন? তা-ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এই শাকের বিভিন্ন উপাদান।

৩) সর্দি-কাশি লেগেই থাকে? শীতকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিশেষভাবে নজর দিতে হয় শরীরের দিকে। এতে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট খুবই ভাল ভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে।

৪) পালং শাকে রয়েছে লুটিন আর কেরোটিনয়েড। দৃষ্টিশক্তির উন্নতি করতে এই দু’টি উপাদান খুবই কার্যকর।

৫) হিমোগ্লোবিন কমে গেলেও সাহায্য করতে পারে পালং শাক। পালং শাকে উপস্থিত ফোলেট খুবই দ্রুত বাড়াতে পারে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা।

যেভাবে বুঝবেন শরীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল

যেভাবে বুঝবেন শরীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল

যেভাবে বুঝবেন শরীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল

ক্ষতিকর প্যাথোজেন ও অন্যান্য পরিবেশগত সমস্যা থেকে শরীরকে রক্ষা করতে ইমিউন সিস্টেম সাহায্য করে। সংক্রামক ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। একজন ব্যক্তির ইমিউনিটি সিস্টেম দুর্বল হওয়ার পিছনে রয়েছে কিছু গুরুতর অসুস্থতা। 

ধূমপান, অ্যালকোহল পান করা, দুর্বল পুষ্টি, মানসিক চাপ, স্থূলতা, বার্ধক্য, এইচআইভি, ডায়াবেটিস, ক্যানসার বা করোনাভাইরাসে মতো চিকিত্‍সা পরিস্থিতিতে বা স্টেরয়েড, কেমোথেরাপির মতো ওষুধ খেলে ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে যায়। ইমিউন সিস্টেম যে দুর্বল তার উপসর্গগুলি কী কী-

ঘন ঘন ঠান্ডা লাগা ও অন্যান্য সংক্রমণ- প্রাপ্তবয়স্কদের বছরে ২ থেকে ৩বার সর্দি বা সংক্রমণজনিত রোগ বাধে। সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে আবার সেরেও ওঠে। এমনটা যদিও স্বাভাবিক ঘটনা। তবে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের মধ্যে বারবার ঠান্ডা লেগে সর্দি ও কাশি হওয়া, অন্যান্য সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

হজমের সমস্যা- অনেক বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন যে, বেশিরভাগ রোগের মূলে রয়েছে দুর্বল পাচনতন্ত্র। দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের লক্ষণ ও উপসর্গ এবং হজমের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে ঘন ঘন ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফোলাভাব ইত্যাদি।

ক্ষত নিরাময় হতে বিলম্ব হওয়া- ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হলে ক্ষত, প্রদাহ, আঘাত বা অস্ত্রোপচারের পরে শ্রতগুলি আরোগ্য হতে বেশি সময় নেয়। সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।

সহজেই ক্লান্তি বোধ করা- দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকলে ক্লান্তি বোধ করা স্বাভাবিক। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল তাদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া দরকার। তবে বিশ্রাম নেওয়ার পরও যাদের অলস ভাব বা ক্লান্তিভাব দেখা যায়, তাদের চিকিত্‍সকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়া উচিত।

ত্বকের সংক্রমণ- ত্বক হল শরীরের একটি প্রাচীর। দুর্বল ইমিউন সিস্টেম ত্বকের বাধাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। যার ফলে ঘন ঘন ত্বকে ফুসকুড়ি, জ্বালাভাব, সংক্রমণ বা শুষ্ক ত্বক হয়।

ব্লাড ডিসঅর্ডার এবং ব্লাড ক্যান্সার- কিছু রক্তের ব্যাধি দুর্বল ইমিউন সিস্টেমকে নির্দেশ করে, যেমন অ্যানিমিয়া, হিমোফিলিয়া (রক্তক্ষরণ ব্যাধি), রক্ত ​​জমাট বাঁধা এবং রক্তের ক্যান্সার (লিউকেমিয়া, লিম্ফোমা এবং মাইলোমা)।

এছাড়া অঙ্গের প্রদাহ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে। আঘাত, টক্সিন, প্যাথোজেন, ট্রমা, তাপ ইত্যাদির কারণে অঙ্গ প্রদাহ হতে পারে। শরীরের টিস্যুতে যে কোন আঘাতের ফলে প্রদাহ হয় তা দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের লক্ষণ।

নবজাতকের যত্ন

নবজাতকের যত্ন   অধ্যাপক ডা. শাহীন আক্তার  অনলাইন ভার্সন নবজাতক শিশু একটি পরিবারের আনন্দের বার্তাবাহক! নবজাতকের সঠিক যত্ন নিশ্চিত করা অত্যন্ত...

Contact Form

Name

Email *

Message *